দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অসহায় ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি নিয়ে গঠিত অসংখ্য মানবাধিকার সংগঠন থাকা সত্ত্বেও, জরুরি প্রয়োজনের সময়ে তাদের নীরবতা জনমনে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া বেশ কয়েকটি ঘটনায় দেখা গেছে, যখন সাধারণ মানুষ চরম প্রতিকূলতার সম্মুখীন হয়েছেন, তখন মানবাধিকার রক্ষার নামে প্রতিষ্ঠিত সংস্থাগুলোর উল্লেখযোগ্য কোনো ভূমিকা পরিলক্ষিত হয়নি।
তথ্যানুসারে, নানা ধরনের সামাজিক অবিচার, বঞ্চনা এবং বৈষম্যের শিকার হওয়া মানুষেরা যখন সাহায্যের জন্য মুখাপেক্ষী, তখন তাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য কোনো সংগঠনকে সক্রিয়ভাবে দেখা যায়নি। এই নীরবতা মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মূল উদ্দেশ্য এবং কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। অনেক নাগরিকই মনে করছেন, যে সকল উদ্দেশ্যে এই সংগঠনগুলো গঠিত হয়েছিল, তা থেকে তারা সরে এসেছে অথবা তাদের কার্যক্রম কেবল কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মূল কাজ হলো সমাজের দুর্বল ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের অধিকার নিশ্চিত করা এবং তাদের যেকোনো প্রকার অন্যায় বা জুলুম থেকে সুরক্ষা প্রদান করা। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি বলছে, এই সংগঠনগুলো তাদের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হচ্ছে। এর ফলে, যারা সবচেয়ে বেশি সহায়তার প্রয়োজন অনুভব করেন, তারা আরও বেশি অসহায় হয়ে পড়ছেন। এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য সংগঠনগুলোর তাদের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি এবং মাঠ পর্যায়ে সক্রিয় উপস্থিতি নিশ্চিত করা জরুরি। পাশাপাশি, সাধারণ মানুষের মধ্যে এই সংগঠনগুলোর ভূমিকা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধিও প্রয়োজন।
—
রিপোর্টারের নাম 









