ঢাকা ০৮:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী: শর্ত না মানলে বন্ধ থাকবে

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক বলেছেন, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বর্তমানে বন্ধ রয়েছে এবং তাদের দেওয়া শর্ত পূরণ না করলে এই অবস্থা বজায় থাকবে। সম্প্রতি মালয়েশিয়ার সঙ্গে এক বৈঠকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাদের শর্তে দেওয়া ৪২৩টি লাইসেন্স খুলে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন, কারণ এই শর্তগুলো মালয়েশিয়া নিজেই পাশ করেছিল। এ বিষয়ে এখনো আলোচনা চলছে।

বুধবার (৬ মে) রাজধানীর ইস্কাটনে প্রবাসী কল্যাণ ভবনে আয়োজিত এক অভিবাসী সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, বিপুল জনসংখ্যার দেশ হওয়ায় কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা জরুরি, অন্যথায় দেশে সামাজিক অবক্ষয় ও নৈরাজ্য সৃষ্টি হতে পারে। তাই দেশীয় ও বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে সরকার দক্ষ জনশক্তি প্রেরণের উপর জোর দিচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, বর্তমানে বিভিন্ন টিটিসি (টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার)-তে প্রায় ৫৮টি ট্রেডে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। তবে কিছু প্রতিষ্ঠানে সুযোগ-সুবিধা কম থাকায়, তিনি ডিজিকে প্রয়োজনীয় ইকুইপমেন্ট ও ফ্যাসিলিটিজের চাহিদা জানাতে বলেছেন, যাতে বাজেটে অর্থ বরাদ্দ করা যায়।

উল্লেখ্য, মালয়েশিয়া বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে ১০টি শর্ত দিয়েছিল। এই শর্তগুলো পূরণ করে তালিকা তৈরি করলে মাত্র পাঁচ থেকে সাতটি রিক্রুটিং এজেন্সি যোগ্যতা অর্জন করত। পূর্বেও এ বিষয়ে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা ও সফর হলেও শ্রমবাজার পুরোপুরি উন্মুক্ত হয়নি। দেশে অনুমোদিত প্রায় তিন হাজার রিক্রুটিং এজেন্সির মধ্যে বর্তমানে ৪২৩টি ন্যূনতম মানদণ্ড পূরণ করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দ্রুত নির্বাচনের পথে বিসিবি: কাউন্সিলরদের নাম চেয়ে চিঠি

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী: শর্ত না মানলে বন্ধ থাকবে

আপডেট সময় : ০৭:৩০:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক বলেছেন, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বর্তমানে বন্ধ রয়েছে এবং তাদের দেওয়া শর্ত পূরণ না করলে এই অবস্থা বজায় থাকবে। সম্প্রতি মালয়েশিয়ার সঙ্গে এক বৈঠকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাদের শর্তে দেওয়া ৪২৩টি লাইসেন্স খুলে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন, কারণ এই শর্তগুলো মালয়েশিয়া নিজেই পাশ করেছিল। এ বিষয়ে এখনো আলোচনা চলছে।

বুধবার (৬ মে) রাজধানীর ইস্কাটনে প্রবাসী কল্যাণ ভবনে আয়োজিত এক অভিবাসী সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, বিপুল জনসংখ্যার দেশ হওয়ায় কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা জরুরি, অন্যথায় দেশে সামাজিক অবক্ষয় ও নৈরাজ্য সৃষ্টি হতে পারে। তাই দেশীয় ও বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে সরকার দক্ষ জনশক্তি প্রেরণের উপর জোর দিচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, বর্তমানে বিভিন্ন টিটিসি (টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার)-তে প্রায় ৫৮টি ট্রেডে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। তবে কিছু প্রতিষ্ঠানে সুযোগ-সুবিধা কম থাকায়, তিনি ডিজিকে প্রয়োজনীয় ইকুইপমেন্ট ও ফ্যাসিলিটিজের চাহিদা জানাতে বলেছেন, যাতে বাজেটে অর্থ বরাদ্দ করা যায়।

উল্লেখ্য, মালয়েশিয়া বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে ১০টি শর্ত দিয়েছিল। এই শর্তগুলো পূরণ করে তালিকা তৈরি করলে মাত্র পাঁচ থেকে সাতটি রিক্রুটিং এজেন্সি যোগ্যতা অর্জন করত। পূর্বেও এ বিষয়ে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা ও সফর হলেও শ্রমবাজার পুরোপুরি উন্মুক্ত হয়নি। দেশে অনুমোদিত প্রায় তিন হাজার রিক্রুটিং এজেন্সির মধ্যে বর্তমানে ৪২৩টি ন্যূনতম মানদণ্ড পূরণ করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।