বৃষ্টির বাধায় একটি ম্যাচ ভেস্তে যাওয়া এবং অন্যটিতে পরাজয়ের ফলে পাকিস্তানের সেমিফাইনালে খেলার সমীকরণ বেশ কঠিন হয়ে পড়েছিল। তবে, নিউজিল্যান্ডের কাছে ইংল্যান্ডের জয় পাকিস্তানের জন্য আশার আলো দেখিয়েছে। এই ফলাফলের পর, পাকিস্তান এখন নিজেদের রানরেট উন্নত করার সুযোগ পাচ্ছে, যা তাদের টুর্নামেন্টের শেষ চারে পৌঁছাতে সাহায্য করবে। অন্যথায়, নিউজিল্যান্ডের সেমিফাইনালে খেলার সম্ভাবনা প্রবল থাকবে।
কলম্বোতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে, নিউজিল্যান্ড প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৫৯ রান সংগ্রহ করে। দুই ওপেনার টিম সেইফার্ট (৩৫) এবং ফিন অ্যালেন একটি ভালো শুরু এনে দেন, ক্রিজে তারা ৭ ওভারে ৬৪ রান যোগ করেন। গ্লেন ফিলিপস ৩৯ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন, যা নিউজিল্যান্ডকে এই স্কোর পর্যন্ত পৌঁছাতে সাহায্য করে। মার্ক চাপম্যান ৯ বলে ১৫ রানের একটি দ্রুতগতির ক্যামিও খেলেন। ইংল্যান্ডের বোলার আদিল রশিদ, উইল জ্যাকস এবং রেহান আহমেদ প্রত্যেকেই দুটি করে উইকেট শিকার করেন।
১৬০ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ইংল্যান্ড শুরুতেই চাপে পড়ে। প্রথম দুই ওভারেই তারা দুই ওপেনার ফিল সল্ট (২) এবং জস বাটলারকে (০) হারায়। এই অবস্থায়, খেলা যে কোনো দিকে মোড় নিতে পারত এবং তা পাকিস্তানের সেমিফাইনালে যাওয়ার স্বপ্ন ভঙ্গ করতে পারত। তবে, হ্যারি ব্রুক এবং জ্যাকব বেথেলের দৃঢ় ব্যাটিং ইংল্যান্ডকে জয়ের পথে এগিয়ে নিয়ে যায়। শেষদিকে টম ব্যান্টন (৩৩) এবং উইল জ্যাকস (৩২) এর ঝড়ো ইনিংসে ভর করে ইংল্যান্ড মাত্র তিন বল বাকি থাকতেই জয় নিশ্চিত করে। তারা ৬ উইকেটে এই ম্যাচ জিতে নেয়। নিউজিল্যান্ডের বোলার রাচিন রবীন্দ্র ১৯ রানে তিন উইকেট নিলেও তা দলের পরাজয় আটকাতে পারেনি। লুকি ফার্গুসন একটি উইকেট লাভ করেন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
নিউজিল্যান্ড: ১৫৯/৭ (২০ ওভার) (ফিলিপস ৩৯, সেইফার্ট ৩৫; জ্যাকস ২/২৩)
ইংল্যান্ড: ১৬১/৬ (১৯.৩ ওভার) (ব্যানটন ৩৩, জ্যাকস ৩২; রবীন্দ্র ৩/১৯)
ফলাফল: ইংল্যান্ড ৬ উইকেটে জয়ী।
ম্যাচসেরা: উইল জ্যাকস।
রিপোর্টারের নাম 























