দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে জনগণের মনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনা বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন শিল্প, বাণিজ্য এবং পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে মাদক, ছিনতাই, চাঁদাবাজি এবং টেন্ডারবাজির মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে। এই ধরনের কাজে যারা জড়িত থাকবেন অথবা যারা এদের মদদ দেবেন, তারা দলের কেউ হলেও কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। প্রতিমন্ত্রী এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তবে, যারা কর্মসংস্থানের অভাবে সমস্যায় আছেন, তাদের স্থানীয় প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছেন এবং প্রয়োজনে নিজের সাথেও যোগাযোগ করতে বলেছেন। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন যে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ঘোষিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’, ‘কৃষক কার্ড’, ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ এবং ‘খালকাটা কর্মসূচি’ ইতোমধ্যে দেশব্যাপী বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। খুব শীঘ্রই দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠী এসব কর্মসূচির সুফল ভোগ করতে পারবেন। এই কর্মসূচিগুলো সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য তিনি দলের নেতাকর্মীসহ সকল রাজনৈতিক দল, পেশাজীবী এবং সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
তিনি বলেন, আজ এখানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, খেলাফত মজলিসসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, শিক্ষক, সাংবাদিক এবং সরকারি কর্মকর্তাসহ সমাজের বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে এবং তারা উপস্থিত হয়েছেন। আমাদের লক্ষ্য অত্যন্ত স্পষ্ট: আমরা সকলকে সাথে নিয়ে দেশ গড়তে চাই। অতীতের মতো কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকে বাদ দিয়ে অন্য কোনো অংশ কাজ করবে না। তবে, যারা অতীতে খুন, হুমকি, হামলা বা মামলার সাথে জড়িত ছিলেন, তাদের প্রচলিত আইন অনুযায়ী বিচার হবে। অযথা কাউকে হয়রানি করা হবে না।
শুক্রবার দুপুরে ভৈরব উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত সরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি এবং সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় অংশ নিয়ে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
রিপোর্টারের নাম 





















