ঢাকা ০৯:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বন্ধ বিমানবন্দর চালুর ঘোষণা, লাভজনক হবে বিমান: প্রতিমন্ত্রী

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৪২:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানিয়েছেন, বিগত সরকারের আমলে বন্ধ হয়ে যাওয়া বিমানবন্দরগুলো পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা এবং বিমানের টিকিটের দাম সাধারণের সাধ্যের মধ্যে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) জামালপুর জেলা প্রশাসনের হলরুমে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বন্ধ বিমানবন্দরগুলো চালু হওয়ার পর যদি নতুন কোনো বিমানবন্দর স্থাপন করা হয়, তবে ময়মনসিংহ বিভাগে সেটিই হবে প্রথম। তিনি বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের বিপুল সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে বলেন, জামালপুরের লাউচাপড়া পর্যটন কেন্দ্রকে আধুনিকায়ন করে পর্যটকদের জন্য আরও সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হবে।

সরকারের বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন হচ্ছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী কৃষিঋণ মওকুফের সাম্প্রতিক উদাহরণ দেন। তিনি বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর দেখা যাচ্ছে, দেশের প্রতিটি খাতে ভঙ্গুরতা, অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির ব্যাপক ছোঁয়া রয়েছে। এসব সংস্কার ও ঘাটতি পূরণে সরকারের সময় প্রয়োজন। প্রতিমন্ত্রী ইঙ্গিত দেন যে, সরকারের কর্মদক্ষতা ও জবাবদিহিতা দেখে সরকারি কর্মকর্তারাও নিজেদের পরিবর্তন করছেন, এবং যারা কাজ করতে পারছেন না, তারা সরে যাচ্ছেন।

সাংবাদিক গোলাম রব্বানী নাদিম হত্যা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নাদিম হত্যার পর তৎকালীন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনকে সঙ্গে নিয়ে তিনি বকশীগঞ্জে নাদিমের বাড়িতে গিয়েছিলেন এবং কবর জিয়ারত করেছিলেন। সেসময় তারা নিজেও নাদিম হত্যার বিচার দাবি করেছিলেন। প্রতিমন্ত্রী দৃঢ়তার সাথে বলেন, সাংবাদিক নাদিম হত্যার দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করতে সরকার সচেষ্ট থাকবে, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো সাংবাদিককে সন্ত্রাসীদের হাতে প্রাণ দিতে না হয়। তিনি নাদিম হত্যার বিচার নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জামালপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, জেলা প্রশাসক মো. ইউসুফ আলী, জেলা পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মো. যাবের সাদেকসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সেমিফাইনালের স্বপ্ন জিইয়ে রাখার লড়াই: শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি পাকিস্তান, সামনে পাহাড়সম সমীকরণ

বন্ধ বিমানবন্দর চালুর ঘোষণা, লাভজনক হবে বিমান: প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৭:৪২:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানিয়েছেন, বিগত সরকারের আমলে বন্ধ হয়ে যাওয়া বিমানবন্দরগুলো পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা এবং বিমানের টিকিটের দাম সাধারণের সাধ্যের মধ্যে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) জামালপুর জেলা প্রশাসনের হলরুমে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বন্ধ বিমানবন্দরগুলো চালু হওয়ার পর যদি নতুন কোনো বিমানবন্দর স্থাপন করা হয়, তবে ময়মনসিংহ বিভাগে সেটিই হবে প্রথম। তিনি বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের বিপুল সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে বলেন, জামালপুরের লাউচাপড়া পর্যটন কেন্দ্রকে আধুনিকায়ন করে পর্যটকদের জন্য আরও সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হবে।

সরকারের বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন হচ্ছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী কৃষিঋণ মওকুফের সাম্প্রতিক উদাহরণ দেন। তিনি বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর দেখা যাচ্ছে, দেশের প্রতিটি খাতে ভঙ্গুরতা, অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির ব্যাপক ছোঁয়া রয়েছে। এসব সংস্কার ও ঘাটতি পূরণে সরকারের সময় প্রয়োজন। প্রতিমন্ত্রী ইঙ্গিত দেন যে, সরকারের কর্মদক্ষতা ও জবাবদিহিতা দেখে সরকারি কর্মকর্তারাও নিজেদের পরিবর্তন করছেন, এবং যারা কাজ করতে পারছেন না, তারা সরে যাচ্ছেন।

সাংবাদিক গোলাম রব্বানী নাদিম হত্যা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নাদিম হত্যার পর তৎকালীন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনকে সঙ্গে নিয়ে তিনি বকশীগঞ্জে নাদিমের বাড়িতে গিয়েছিলেন এবং কবর জিয়ারত করেছিলেন। সেসময় তারা নিজেও নাদিম হত্যার বিচার দাবি করেছিলেন। প্রতিমন্ত্রী দৃঢ়তার সাথে বলেন, সাংবাদিক নাদিম হত্যার দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করতে সরকার সচেষ্ট থাকবে, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো সাংবাদিককে সন্ত্রাসীদের হাতে প্রাণ দিতে না হয়। তিনি নাদিম হত্যার বিচার নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জামালপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, জেলা প্রশাসক মো. ইউসুফ আলী, জেলা পুলিশ সুপার ড. চৌধুরী মো. যাবের সাদেকসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।