লন্ডন থেকে দেশে ফেরার পর প্রথমবারের মতো বনানীর নৌ বাহিনী সদর দপ্তরের কেন্দ্রীয় মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বের হওয়ার পথে উচ্ছ্বসিত শিশু-কিশোরদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন তিনি। এ সময় একজন শিশুর সরল প্রশ্ন ছিল, “আংকেল, আপনি রোজা রাখেন?” প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিক জবাবে শিশুদের সঙ্গে মুহূর্তেই এক আনন্দঘন পরিবেশ তৈরি হয়।
শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মসজিদ প্রাঙ্গণে অপেক্ষমাণ শিশু-কিশোরদের কাছে এগিয়ে যান। তাদের সঙ্গে হাত মেলান এবং খোঁজখবর নেন। প্রধানমন্ত্রীর এমন সান্নিধ্য পেয়ে শিশুরা আনন্দে আত্মহারা হয়ে ওঠে।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, নামাজ শেষে প্রধানমন্ত্রী যখন বের হচ্ছিলেন, তখন শিশুরা তাকে ঘিরে ধরে। তাদের সঙ্গে কথা বলার একপর্যায়ে একজন শিশু সরাসরি প্রশ্ন করে বসে, “আংকেল, আপনি রোজা রাখেন?” শিশুটির হাত ধরে প্রধানমন্ত্রী হেসে উত্তর দেন, “আমি! আমি তো রোজা রাখি।”
এরপর প্রধানমন্ত্রী নিজেই শিশুদের উদ্দেশে প্রশ্ন করেন, “তোমরা রোজা রাখো?” সমস্বরে শিশুরা জবাব দেয়, “আমরাও রোজা রাখি!” এই সময় এক শিশু ‘আসসালামু আলাইকুম’ জানিয়ে বলে, “আংকেল, আজকেরটা ছাড়া সব রোজা রেখেছি।” প্রধানমন্ত্রী তার মাথায় হাত বুলিয়ে দেন। পাশ থেকে আরেক শিশু জানায়, সে সবগুলো রোজা রেখেছে। প্রধানমন্ত্রী তাকে ‘ভেরি গুড’ বলে উৎসাহিত করেন।
শিশুদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর এই অনানুষ্ঠানিক আলাপচারিতা পুরো পরিবেশকে আনন্দময় করে তোলে। শিশুরা প্রধানমন্ত্রীকে এত কাছ থেকে পেয়ে হাসি-খুশিতে মেতে ওঠে। প্রধানমন্ত্রী তাদের সবার সঙ্গে একে একে হাত মেলান এবং কেমন আছে জানতে চান।
পরে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিনী জুবাইদা রহমান মসজিদ থেকে বেরিয়ে এলে প্রধানমন্ত্রী শিশুদের কাছ থেকে বিদায় নেন এবং “আল্লাহ হাফেজ” বলেন। এসময় শিশুরা সমস্বরে প্রধানমন্ত্রীর কাছে তাদের জন্য দোয়া প্রার্থনা করে। প্রধানমন্ত্রীও শিশুদের উদ্দেশে হাত নেড়ে বিদায় জানান এবং গাড়ির দিকে এগিয়ে যান।
রিপোর্টারের নাম 






















