দেশের অভ্যন্তরে এবং পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে গত ২৬ দিনে আটবার ভূকম্পন অনুভূত হওয়ায় জনমনে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। ঘন ঘন এই কম্পনগুলো বড় ধরনের কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের পূর্বাভাস বহন করছে কিনা, তা নিয়ে বিশেষজ্ঞরাও চিন্তিত। সর্বশেষ কম্পনটি গত [এখানে কম্পনের তারিখ উল্লেখ করা যেতে পারে, যদি খসড়ায় থাকে] তারিখে অনুভূত হয়েছে, যা মানুষকে নতুন করে আতঙ্কিত করে তুলেছে।
ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঘন ঘন ভূকম্পনের ঘটনাগুলো সাধারণত টেকটোনিক প্লেটের নড়াচড়ার সঙ্গে সম্পর্কিত। বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান এমন একটি অঞ্চলে যেখানে একাধিক টেকটোনিক প্লেট একে অপরের কাছাকাছি রয়েছে, বিশেষ করে ইউরেশীয় প্লেট এবং ভারত-অস্ট্রেলীয় প্লেট। এই প্লেটগুলোর মধ্যেকার ঘর্ষণ বা স্থানচ্যুতি ভূমিকম্পের সৃষ্টি করে। অতীতেও এই অঞ্চলে বড় ধরনের ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে, যার ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ছোট ছোট কম্পনগুলো বড় কোনো ঘটনার আগে একটি সতর্কবার্তা হতে পারে। তবে, প্রতিটি কম্পনের নিজস্ব কারণ থাকতে পারে এবং এর ফলে বড় ভূমিকম্প হবেই এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। তবুও, এই ঘন ঘন কম্পনের ঘটনাগুলো ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণের প্রয়োজনীয়তাকে আরও জোরালো করছে। স্থানীয় প্রশাসন এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের উচিত এই বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা এবং সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবেলার জন্য জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করা। জনসাধারণকেও এ বিষয়ে সচেতন থাকা এবং প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশিক্ষণ ও তথ্য প্রদান করা অপরিহার্য।
—
রিপোর্টারের নাম 




















