একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো নিজ জেলা মানিকগঞ্জে পা রেখেছেন এই আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আফরোজা খানম রিতা। সোমবার তার এই আগমনকে কেন্দ্র করে মানিকগঞ্জ জুড়ে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। দলীয় নেতাকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতি, ফুলেল শুভেচ্ছা এবং স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো জেলা।
দুপুর আড়াইটার দিকে গিলন্ড মুন্নু সিটিতে অবস্থিত নিজ বাসভবনে পৌঁছালে আফরোজা খানম রিতাকে দেখতে হাজার হাজার নেতাকর্মীর ঢল নামে। যেন জনসমুদ্রে পরিণত হয় পুরো এলাকা। দলীয় কর্মী-সমর্থকদের পাশাপাশি বিভিন্ন পেশা ও শ্রেণির মানুষ এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরাও তাকে ফুল দিয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। নবীন মন্ত্রী দীর্ঘ সময় ধরে সকলের শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
নিজ বাসভবনে পৌঁছানোর পূর্বে আফরোজা খানম রিতা গিলন্ড মুন্নু সিটিতে শায়িত তার পিতা, সাবেক মন্ত্রী হারুনার রশিদ খান মুন্নুর কবর জিয়ারত করেন। পিতার কবরের পাশে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে তিনি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন ও দোয়া করেন। পরবর্তীতে ঘিওর উপজেলার পাচুরিয়া গ্রামে গিয়ে তিনি দলের প্রয়াত মহাসচিব খন্দকার দেলোয়ার হোসেনের কবরও জিয়ারত করেন এবং তার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।
এর আগে, দুপুর সোয়া ১টার দিকে তিনি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যান। সেখানে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। সভায় জেলার চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম, সম্ভাবনা এবং বিদ্যমান সমস্যাগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এই সময় মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নিজ জেলার সার্বিক উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন আফরোজা খানম রিতা।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা, আফরোজা খানম রিতার মন্ত্রীত্বে মানিকগঞ্জবাসী বিশেষভাবে গর্বিত। তারা আশা করছেন, তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা, পর্যটন শিল্প এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নে এক নতুন গতি সঞ্চারিত হবে।
রিপোর্টারের নাম 

























