ঢাকা ০৭:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ধানের শীষে ভোট, স্বামীর হাতে নিগৃহীত নারীর পাশে দাঁড়ালেন এমপি

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০৯:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু, পরশুরামে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার কারণে স্বামীর হাতে নিগৃহীত এক নারীর পাশে দাঁড়িয়েছেন। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপজেলার চিথলিয়া ইউনিয়নের পাগলীর কুল গ্রামে তালাকপ্রাপ্ত রুনা আক্তার মুন্নীর (৩২) বাড়িতে যান তিনি।

রুনা আক্তার ও তার দুই সন্তানকে সান্ত্বনা প্রদান করে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য রফিকুল আলম মজনু বলেন, “ধানের শীষে ভোট দেওয়ার কারণে তাকে তালাক দেওয়া হয়েছে – এই খবর জানার পর প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমানের নির্দেশে আমি রুনা আক্তারকে দেখতে এসেছি। স্বামীর কথা মেনে দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট না দেওয়ায় দুই সন্তানের এই মাকে তালাক দেওয়া হয়েছে। আধুনিক যুগে এ ধরনের অসভ্যতা মেনে নেওয়া যায় না।”

তিনি আরও যোগ করেন, “ভোট দেওয়া কোনো অপরাধ নয়, এটি একজন নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার। ভোটের কারণে কাউকে সামাজিকভাবে লাঞ্ছিত বা নিগৃহীত করা মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল। ভোটের প্রতীক পছন্দের কারণে কোনো নারী বা পুরুষকে নিপীড়নের শিকার হতে দেওয়া যাবে না। এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমরা আইনি ও সামাজিকভাবে রুনা আক্তারের পাশে দাঁড়াব।”

রুনা আক্তারের পরিবারের ভরণপোষণের দায়িত্ব নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে রফিকুল আলম মজনু বিএনপি’র পক্ষ থেকে নগদ অর্থ তুলে দেন। এ সময় তাঁর সাথে ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু তালেব, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবদুল হালিম মানিক, সদস্য সচিব ইব্রাহীম খলিল মনিসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রুনা আক্তারকে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিতে তার স্বামী নুর মোহাম্মদ সুমন নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু রুনা আক্তার ধানের শীষে ভোট দেওয়ায় ১৫ ফেব্রুয়ারি আদালত থেকে এফিডেভিটের মাধ্যমে রুনা আক্তারকে তালাকনামা পাঠান স্বামী সুমন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সহ আজকের মাঠে গড়াবে জমজমাট সব লড়াই

ধানের শীষে ভোট, স্বামীর হাতে নিগৃহীত নারীর পাশে দাঁড়ালেন এমপি

আপডেট সময় : ১০:০৯:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু, পরশুরামে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার কারণে স্বামীর হাতে নিগৃহীত এক নারীর পাশে দাঁড়িয়েছেন। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপজেলার চিথলিয়া ইউনিয়নের পাগলীর কুল গ্রামে তালাকপ্রাপ্ত রুনা আক্তার মুন্নীর (৩২) বাড়িতে যান তিনি।

রুনা আক্তার ও তার দুই সন্তানকে সান্ত্বনা প্রদান করে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য রফিকুল আলম মজনু বলেন, “ধানের শীষে ভোট দেওয়ার কারণে তাকে তালাক দেওয়া হয়েছে – এই খবর জানার পর প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমানের নির্দেশে আমি রুনা আক্তারকে দেখতে এসেছি। স্বামীর কথা মেনে দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট না দেওয়ায় দুই সন্তানের এই মাকে তালাক দেওয়া হয়েছে। আধুনিক যুগে এ ধরনের অসভ্যতা মেনে নেওয়া যায় না।”

তিনি আরও যোগ করেন, “ভোট দেওয়া কোনো অপরাধ নয়, এটি একজন নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার। ভোটের কারণে কাউকে সামাজিকভাবে লাঞ্ছিত বা নিগৃহীত করা মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল। ভোটের প্রতীক পছন্দের কারণে কোনো নারী বা পুরুষকে নিপীড়নের শিকার হতে দেওয়া যাবে না। এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমরা আইনি ও সামাজিকভাবে রুনা আক্তারের পাশে দাঁড়াব।”

রুনা আক্তারের পরিবারের ভরণপোষণের দায়িত্ব নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে রফিকুল আলম মজনু বিএনপি’র পক্ষ থেকে নগদ অর্থ তুলে দেন। এ সময় তাঁর সাথে ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু তালেব, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবদুল হালিম মানিক, সদস্য সচিব ইব্রাহীম খলিল মনিসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রুনা আক্তারকে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিতে তার স্বামী নুর মোহাম্মদ সুমন নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু রুনা আক্তার ধানের শীষে ভোট দেওয়ায় ১৫ ফেব্রুয়ারি আদালত থেকে এফিডেভিটের মাধ্যমে রুনা আক্তারকে তালাকনামা পাঠান স্বামী সুমন।