মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০৭:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬

চৌদ্দগ্রামে যুবদল নেতাকে প্রাণনাশের হুমকি মাদক ব্যবসায়ীর

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০৪:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

## শিরোনাম: মাদক ব্যবসায়ীর প্রাণনাশের হুমকিতে যুবদল নেতা, থানায় অভিযোগ

চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা): মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে পুলিশ পাঠিয়েছেন সন্দেহে স্থানীয় এক যুবদল নেতাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী যুবদল নেতা মো. মানিক বাদী হয়ে মাদক ব্যবসায়ী মো. মোস্তফার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনাটি জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার জগন্নাথদীঘি ইউনিয়নের দক্ষিণ বেতিয়ারা (সোনাপুর) গ্রামে ঘটেছে।

বিস্তারিত:

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জগন্নাথ ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মো. মানিক এবং মাদক ব্যবসায়ী মো. মোস্তফা একই গ্রামের বাসিন্দা। মোস্তফা দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা সহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলেই তিনি প্রাণনাশের হুমকি এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন বলে জানা গেছে।

গত ৩০ জানুয়ারি সন্ধ্যায় যুবদল নেতা মানিক যখন পার্শ্ববর্তী সাতঘরিয়া রাস্তার মাথায় নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যস্ত ছিলেন, তখন মোস্তফা তাকে মুঠোফোনে কল করে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করে। কারণ জানতে চাইলে মোস্তফা মানিককে সরাসরি হুমকি দিয়ে বলে, “তুই পুলিশকে বলেছিস, আমাকে আর জ্বালাবি না। আমার মেজাজ গরম করছিস, দেখে নেব। জবাই করে দেব, মেরে ফেলব।”

পরবর্তীতে মানিক জানতে পারেন যে, ওই দিন চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার উপ-পরিদর্শক আশরাফুল দক্ষিণ বেতিয়ারা গ্রামে মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়েছিলেন। এই তথ্যের ভিত্তিতে মোস্তফা সন্দেহ করে যে, যুবদল নেতা মানিকই পুলিশকে খবর দিয়েছে। এই সন্দেহের বশেই মোস্তফা মানিককে মুঠোফোনে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। শুধু তাই নয়, সুযোগ পেলে মানিককে মেরে লাশ গুম করার, মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাঁসানোর এবং ঘরবাড়ি আগুনে পুড়িয়ে দেওয়ারও হুমকি দিয়েছে মোস্তফা।

এ বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার উপ-পরিদর্শক আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত চলছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অন্যদিকে, উপ-পরিদর্শক মো. আশরাফুল নিশ্চিত করেছেন যে, গত ৩০ জানুয়ারি মোস্তফার বাড়িতে ইয়াবা সেবনরত অবস্থায় আলকরা এলাকার এক যুবককে আটক করা হয়েছিল। পরে তার বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দায়ের করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

এই ঘটনার পর থেকে যুবদল নেতা মানিক এবং তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। মোস্তফার ব্যবহৃত মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি, ফলে তার বক্তব্য জানা যায়নি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুরের বকশীগঞ্জে ৪২ বছরেও চালু হয়নি সাব-জেল: কোটি টাকার সম্পদ বেহাত হওয়ার শঙ্কা

চৌদ্দগ্রামে যুবদল নেতাকে প্রাণনাশের হুমকি মাদক ব্যবসায়ীর

আপডেট সময় : ১০:০৪:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

## শিরোনাম: মাদক ব্যবসায়ীর প্রাণনাশের হুমকিতে যুবদল নেতা, থানায় অভিযোগ

চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা): মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে পুলিশ পাঠিয়েছেন সন্দেহে স্থানীয় এক যুবদল নেতাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী যুবদল নেতা মো. মানিক বাদী হয়ে মাদক ব্যবসায়ী মো. মোস্তফার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনাটি জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার জগন্নাথদীঘি ইউনিয়নের দক্ষিণ বেতিয়ারা (সোনাপুর) গ্রামে ঘটেছে।

বিস্তারিত:

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জগন্নাথ ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মো. মানিক এবং মাদক ব্যবসায়ী মো. মোস্তফা একই গ্রামের বাসিন্দা। মোস্তফা দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা সহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলেই তিনি প্রাণনাশের হুমকি এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন বলে জানা গেছে।

গত ৩০ জানুয়ারি সন্ধ্যায় যুবদল নেতা মানিক যখন পার্শ্ববর্তী সাতঘরিয়া রাস্তার মাথায় নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যস্ত ছিলেন, তখন মোস্তফা তাকে মুঠোফোনে কল করে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করে। কারণ জানতে চাইলে মোস্তফা মানিককে সরাসরি হুমকি দিয়ে বলে, “তুই পুলিশকে বলেছিস, আমাকে আর জ্বালাবি না। আমার মেজাজ গরম করছিস, দেখে নেব। জবাই করে দেব, মেরে ফেলব।”

পরবর্তীতে মানিক জানতে পারেন যে, ওই দিন চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার উপ-পরিদর্শক আশরাফুল দক্ষিণ বেতিয়ারা গ্রামে মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়েছিলেন। এই তথ্যের ভিত্তিতে মোস্তফা সন্দেহ করে যে, যুবদল নেতা মানিকই পুলিশকে খবর দিয়েছে। এই সন্দেহের বশেই মোস্তফা মানিককে মুঠোফোনে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। শুধু তাই নয়, সুযোগ পেলে মানিককে মেরে লাশ গুম করার, মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাঁসানোর এবং ঘরবাড়ি আগুনে পুড়িয়ে দেওয়ারও হুমকি দিয়েছে মোস্তফা।

এ বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার উপ-পরিদর্শক আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত চলছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অন্যদিকে, উপ-পরিদর্শক মো. আশরাফুল নিশ্চিত করেছেন যে, গত ৩০ জানুয়ারি মোস্তফার বাড়িতে ইয়াবা সেবনরত অবস্থায় আলকরা এলাকার এক যুবককে আটক করা হয়েছিল। পরে তার বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দায়ের করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

এই ঘটনার পর থেকে যুবদল নেতা মানিক এবং তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। মোস্তফার ব্যবহৃত মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি, ফলে তার বক্তব্য জানা যায়নি।