ঢাকা ১০:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

এক হারেই সেমির স্বপ্ন ফিকে ভারতের, ঝুলছে সূক্ষ্ম সমীকরণে

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪১:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইটে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে অপ্রত্যাশিত ও বিশাল ব্যবধানে হেরে সেমিফাইনালের পথে বড় ধাক্কা খেল ভারত। নিশ্চিত ফেভারিট হিসেবে মাঠে নেমেও প্রোটিয়াদের আগ্রাসী ব্যাটিং ও বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বাধীন দলটি। একতরফা ম্যাচে ৭৬ রানের এই পরাজয় সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের শেষ চারে ওঠার স্বপ্নকে অনেকটাই ফিকে করে দিয়েছে, যা এখন নির্ভর করছে জটিল গাণিতিক সমীকরণ ও অন্য দলের ফলাফলের ওপর।

দক্ষিণ আফ্রিকার দেওয়া ১৮৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ১১১ রানে গুটিয়ে যায় ভারত, যা তাদের নিট রানরেটকে ঠেলে দিয়েছে –৩.৮০০-এর মতো নেতিবাচক অবস্থানে। এই বিশাল ব্যবধানে হারই তাদের সেমিফাইনাল ভাগ্যকে অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে।

সেমিফাইনালে পৌঁছাতে হলে ভারতের সামনে এখন একটাই পথ খোলা—সুপার এইটের বাকি দুটি ম্যাচেই জয়লাভ করা। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে জয় পেলে ভারতের পয়েন্ট হবে ৪, যা সাধারণত শেষ চারে ওঠার জন্য যথেষ্ট। তবে এই পথও পুরোপুরি মসৃণ নয়। যদি দক্ষিণ আফ্রিকা তাদের বাকি দুই ম্যাচের একটিতে হারে এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ বা জিম্বাবুয়েও দক্ষিণ আফ্রিকাকে পরাজিত করে, তাহলে তিনটি দল ৪ পয়েন্ট নিয়ে সমান অবস্থানে আসতে পারে। সেক্ষেত্রে নেট রানরেটই হবে সেমিফাইনালিস্ট নির্ধারণের মূল চাবিকাঠি। ফলে ভারতের জন্য সবচেয়ে সুবিধাজনক পরিস্থিতি হবে নিজেদের দুটি ম্যাচ জেতার পাশাপাশি দক্ষিণ আফ্রিকাও যেন তাদের বাকি দুটি ম্যাচ জিতে নেয়, যাতে পয়েন্ট জটিলতা এড়ানো যায়।

আর যদি ভারত বাকি দুটি ম্যাচের মধ্যে কেবল একটিতে জয় পায়, তাহলে সেমিফাইনালের সমীকরণ আরও জটিল আকার ধারণ করবে। এক্ষেত্রে দক্ষিণ আফ্রিকাকে তাদের সব ম্যাচ জিততে হবে এবং ভারতের একমাত্র জয়টি আসতে হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ বা জিম্বাবুয়ের মধ্যে যে দল জিতবে তাদের বিপক্ষে। তখন তিনটি দল ২ পয়েন্টে সমান হলে আবারও নেট রানরেটই ভাগ্য নির্ধারণ করবে। সব মিলিয়ে, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বিশাল ব্যবধানে হারই ভারতের জন্য বড় সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তাদের সেমিফাইনাল অভিযান এখন কার্যত সূক্ষ্ম গাণিতিক সমীকরণ আর ভাগ্যের ওপরই নির্ভরশীল।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গভীর সমুদ্রে বিকল ট্রলার: ১৯ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করল কোস্টগার্ড

এক হারেই সেমির স্বপ্ন ফিকে ভারতের, ঝুলছে সূক্ষ্ম সমীকরণে

আপডেট সময় : ০৯:৪১:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইটে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে অপ্রত্যাশিত ও বিশাল ব্যবধানে হেরে সেমিফাইনালের পথে বড় ধাক্কা খেল ভারত। নিশ্চিত ফেভারিট হিসেবে মাঠে নেমেও প্রোটিয়াদের আগ্রাসী ব্যাটিং ও বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বাধীন দলটি। একতরফা ম্যাচে ৭৬ রানের এই পরাজয় সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের শেষ চারে ওঠার স্বপ্নকে অনেকটাই ফিকে করে দিয়েছে, যা এখন নির্ভর করছে জটিল গাণিতিক সমীকরণ ও অন্য দলের ফলাফলের ওপর।

দক্ষিণ আফ্রিকার দেওয়া ১৮৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ১১১ রানে গুটিয়ে যায় ভারত, যা তাদের নিট রানরেটকে ঠেলে দিয়েছে –৩.৮০০-এর মতো নেতিবাচক অবস্থানে। এই বিশাল ব্যবধানে হারই তাদের সেমিফাইনাল ভাগ্যকে অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে।

সেমিফাইনালে পৌঁছাতে হলে ভারতের সামনে এখন একটাই পথ খোলা—সুপার এইটের বাকি দুটি ম্যাচেই জয়লাভ করা। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে জয় পেলে ভারতের পয়েন্ট হবে ৪, যা সাধারণত শেষ চারে ওঠার জন্য যথেষ্ট। তবে এই পথও পুরোপুরি মসৃণ নয়। যদি দক্ষিণ আফ্রিকা তাদের বাকি দুই ম্যাচের একটিতে হারে এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ বা জিম্বাবুয়েও দক্ষিণ আফ্রিকাকে পরাজিত করে, তাহলে তিনটি দল ৪ পয়েন্ট নিয়ে সমান অবস্থানে আসতে পারে। সেক্ষেত্রে নেট রানরেটই হবে সেমিফাইনালিস্ট নির্ধারণের মূল চাবিকাঠি। ফলে ভারতের জন্য সবচেয়ে সুবিধাজনক পরিস্থিতি হবে নিজেদের দুটি ম্যাচ জেতার পাশাপাশি দক্ষিণ আফ্রিকাও যেন তাদের বাকি দুটি ম্যাচ জিতে নেয়, যাতে পয়েন্ট জটিলতা এড়ানো যায়।

আর যদি ভারত বাকি দুটি ম্যাচের মধ্যে কেবল একটিতে জয় পায়, তাহলে সেমিফাইনালের সমীকরণ আরও জটিল আকার ধারণ করবে। এক্ষেত্রে দক্ষিণ আফ্রিকাকে তাদের সব ম্যাচ জিততে হবে এবং ভারতের একমাত্র জয়টি আসতে হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ বা জিম্বাবুয়ের মধ্যে যে দল জিতবে তাদের বিপক্ষে। তখন তিনটি দল ২ পয়েন্টে সমান হলে আবারও নেট রানরেটই ভাগ্য নির্ধারণ করবে। সব মিলিয়ে, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বিশাল ব্যবধানে হারই ভারতের জন্য বড় সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তাদের সেমিফাইনাল অভিযান এখন কার্যত সূক্ষ্ম গাণিতিক সমীকরণ আর ভাগ্যের ওপরই নির্ভরশীল।