ঢাকা ০৯:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

শিক্ষা ও চিকিৎসা খাত ধ্বংসের জন্য বিগত সরকারকে দায়ী করলেন প্রধানমন্ত্রী

বিগত স্বৈরাচারী সরকার একটি বিশেষ গোষ্ঠীকে সুবিধা দিতে এবং অন্য একটি দেশের বাণিজ্যিক এজেন্ডা বাস্তবায়নে দেশের শিক্ষা ও চিকিৎসা খাতকে পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করেছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন, কোনো জাতিকে পঙ্গু করার অন্যতম উপায় হিসেবে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে টার্গেট করা হয়েছিল, যার ফলে সাধারণ মানুষ মানসম্মত সেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, বর্তমান সরকার দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা চিন্তা করে শিক্ষা ও চিকিৎসা খাতের আমূল সংস্কারে বদ্ধপরিকর। বিশেষ করে শিক্ষা খাতে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ নিশ্চিত করার মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, বিতর্কিত সিলেবাস বাতিল করে আধুনিক ও মানবিক শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং শিক্ষকদের মানসম্মত প্রশিক্ষণের ওপর সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। দেশের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে কোনো গোষ্ঠী বা বিদেশি শক্তির এজেন্ডা বাস্তবায়নের সুযোগ আর দেওয়া হবে না বলেও তিনি দৃঢ় সংকল্প ব্যক্ত করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে নাট্যজন সম্মাননায় ভূষিত আবুল হায়াত

শিক্ষা ও চিকিৎসা খাত ধ্বংসের জন্য বিগত সরকারকে দায়ী করলেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৮:৪৭:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

বিগত স্বৈরাচারী সরকার একটি বিশেষ গোষ্ঠীকে সুবিধা দিতে এবং অন্য একটি দেশের বাণিজ্যিক এজেন্ডা বাস্তবায়নে দেশের শিক্ষা ও চিকিৎসা খাতকে পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করেছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন, কোনো জাতিকে পঙ্গু করার অন্যতম উপায় হিসেবে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে টার্গেট করা হয়েছিল, যার ফলে সাধারণ মানুষ মানসম্মত সেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, বর্তমান সরকার দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা চিন্তা করে শিক্ষা ও চিকিৎসা খাতের আমূল সংস্কারে বদ্ধপরিকর। বিশেষ করে শিক্ষা খাতে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ নিশ্চিত করার মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, বিতর্কিত সিলেবাস বাতিল করে আধুনিক ও মানবিক শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং শিক্ষকদের মানসম্মত প্রশিক্ষণের ওপর সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। দেশের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে কোনো গোষ্ঠী বা বিদেশি শক্তির এজেন্ডা বাস্তবায়নের সুযোগ আর দেওয়া হবে না বলেও তিনি দৃঢ় সংকল্প ব্যক্ত করেন।