নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের দায়িত্ব গ্রহণের পর সচিবালয়ে প্রশাসনিক কর্মতৎপরতার পাশাপাশি উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। নবনিযুক্ত মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের অভিনন্দন জানাতে এবং তাঁদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে সকাল থেকেই সচিবালয়ে দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
রোববার সকাল থেকেই সচিবালয়ের চিত্র ছিল অন্য যেকোনো স্বাভাবিক দিনের তুলনায় আলাদা। বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের অলিন্দে দর্শনার্থীদের সরব উপস্থিতি এবং হাতে হাতে ফুলের তোড়া নতুন এক আবহ তৈরি করেছে। প্রশাসনিক এই প্রাণকেন্দ্রে আজ যানবাহনের চাপও ছিল অন্যান্য দিনের চেয়ে অনেক বেশি।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতিসহ বিভিন্ন পেশাজীবী ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতা-কর্মীরা তাঁদের প্রিয় মন্ত্রীদের শুভেচ্ছা জানাতে ফুল নিয়ে অপেক্ষা করছেন। শুধু বাইরের দর্শনার্থীই নন, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও নিজ নিজ দপ্তরের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের পুষ্পস্তবক দিয়ে বরণ করে নিচ্ছেন।
দর্শনার্থীদের এই অতিরিক্ত চাপের কারণে সচিবালয়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। সেখানে দায়িত্বরত নিরাপত্তা কর্মকর্তারা জানান, ভিড় সামলাতে এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তাঁরা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের চাহিদাপত্র এবং যথাযথ পরিচয় নিশ্চিত করার মাধ্যমেই কেবল দর্শনার্থীদের ভেতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। অধিক চাপ থাকলেও নিরাপত্তার কোনো ঘাটতি নেই বলে তাঁরা নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে, দাপ্তরিক কাজের অংশ হিসেবে আজ রোববার সকাল ৯টা ৫ মিনিটে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে আসেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে পৌঁছালে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার। প্রধানমন্ত্রীর এই উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে সচিবালয় এলাকায় নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক তৎপরতা আরও বৃদ্ধি পায়।
রিপোর্টারের নাম 



















