পবিত্র রমজান মাসে তারাবির নামাজ আদায়রত অবস্থায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের এক ইউনিয়ন সম্পাদকের ওপর সশস্ত্র হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংগঠনটির চট্টগ্রাম জেলা উত্তর শাখা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। শনিবার (তারিখ) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে তারা এই বর্বরোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
বিবৃতিতে শাখা সভাপতি শওকত আলী ও সেক্রেটারি মাঈন উদ্দিন রায়হান উল্লেখ করেন যে, রমজান মাসে, বিশেষ করে মসজিদের মতো পবিত্র স্থানে ইবাদতরত অবস্থায় একজন ছাত্রনেতার ওপর হামলা কেবল রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার অপচেষ্টাই নয়, বরং এটি ধর্মীয় পবিত্রতা ও মৌলিক মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন।
ঘটনার বিবরণ তুলে ধরে শিবির নেতারা জানান, সন্দ্বীপ উপজেলার বাউরিয়া ইউনিয়নে চিহ্নিত মাদক কারবারি ও বিএনপি নেতা ‘ইয়াবা জামাল’-এর নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী মসজিদের পবিত্রতা নষ্ট করে ইউনিয়ন ছাত্রশিবির সেক্রেটারি মো. জিহাদকে টেনে-হিঁচড়ে বের করে এনে নৃশংসভাবে আঘাত করে। হামলাকারীরা রাজনৈতিক মতাদর্শের জের ধরে ‘কেন ছাত্রশিবির করিস’ বা ‘কেন দাঁড়িপাল্লার পক্ষে কাজ করলি’—এমন প্রশ্ন তুলে এই বর্বরতা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়। শিবির নেতাদের মতে, এই হামলা সন্দ্বীপের দীর্ঘদিনের শান্তিশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করার একটি পরিকল্পিত অপচেষ্টা এবং গণতান্ত্রিক দেশে আদর্শিক রাজনীতি করার অধিকারের ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপ।
তারা আরও বলেন, প্রকাশ্যে জনসমাগমস্থলে এবং ইবাদতখানায় এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা ইসলামের প্রতি চরম অবজ্ঞার শামিল। এই দুঃসাহসিক হামলার মাধ্যমে সন্ত্রাসীরা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার পাশাপাশি নিজেদের চরম অসহিষ্ণুতা ও ফ্যাসিবাদী মানসিকতার পরিচয় দিয়েছে।
ইসলামী ছাত্রশিবিরের চট্টগ্রাম জেলা উত্তর শাখা আহত মো. জিহাদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছে। একই সাথে, তারা অনতিবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে এই হামলার সঙ্গে জড়িত দোষীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানিয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 












