ঢাকা ০৯:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬

“চাঁদাবাজির বৈধতা স্বৈরাচারের পদাঙ্ক”: নতুন মন্ত্রীর মন্তব্যে যাত্রী কল্যাণ সমিতির তীব্র ক্ষোভ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৩:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

পরিবহন খাতে চাঁদাবাজিকে বৈধতা দেওয়ার বিষয়ে নবনিযুক্ত সড়ক মন্ত্রীর বক্তব্যকে ‘পতিত স্বৈরাচারের পদাঙ্ক অনুসরণের শামিল’ আখ্যা দিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। গতকাল শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনটির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী এই মন্তব্য করেন, যা জনমনে ব্যাপক হতাশা সৃষ্টি করেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, দেশের পরিবহন সেক্টরে চাঁদাবাজি একসময় পতিত স্বৈরাচারী শাসনামলে শিল্পের পর্যায়ে পৌঁছেছিল। সেই সময়ে কতিপয় পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতা অবৈধ পথে বিপুল অর্থবিত্তের মালিক হয়ে শত শত বাসের মালিকানা অর্জন করেন। এই চাঁদাবাজি ও নৈরাজ্যের সঙ্গে কিছু অসাধু পুলিশ কর্মকর্তার জড়িত থাকার কারণে সাধারণ মানুষ এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার সাহস পায়নি।

সংগঠনটি আরও জানায়, বিএনপির সরকারের একজন নতুন মন্ত্রীর এমন বক্তব্যে দেশবাসী গভীরভাবে হতাশ হয়েছে। পরিবহনে চাঁদাবাজির কারণে নিম্ন আয়ের সাধারণ মানুষের ওপর বাসভাড়ার বোঝা ক্রমাগত বাড়ছে, যা পরোক্ষভাবে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বৃদ্ধিতেও প্রভাব ফেলছে। এমন পরিস্থিতি দেশের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে এবং সরকারকে জনসম্মুখে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ক্ষেপণাস্ত্র সংকটে জার্মানি: টমাহক মোতায়েন থেকে পিছিয়ে যুক্তরাষ্ট্র

“চাঁদাবাজির বৈধতা স্বৈরাচারের পদাঙ্ক”: নতুন মন্ত্রীর মন্তব্যে যাত্রী কল্যাণ সমিতির তীব্র ক্ষোভ

আপডেট সময় : ০৭:৪৩:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরিবহন খাতে চাঁদাবাজিকে বৈধতা দেওয়ার বিষয়ে নবনিযুক্ত সড়ক মন্ত্রীর বক্তব্যকে ‘পতিত স্বৈরাচারের পদাঙ্ক অনুসরণের শামিল’ আখ্যা দিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। গতকাল শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনটির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী এই মন্তব্য করেন, যা জনমনে ব্যাপক হতাশা সৃষ্টি করেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, দেশের পরিবহন সেক্টরে চাঁদাবাজি একসময় পতিত স্বৈরাচারী শাসনামলে শিল্পের পর্যায়ে পৌঁছেছিল। সেই সময়ে কতিপয় পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতা অবৈধ পথে বিপুল অর্থবিত্তের মালিক হয়ে শত শত বাসের মালিকানা অর্জন করেন। এই চাঁদাবাজি ও নৈরাজ্যের সঙ্গে কিছু অসাধু পুলিশ কর্মকর্তার জড়িত থাকার কারণে সাধারণ মানুষ এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার সাহস পায়নি।

সংগঠনটি আরও জানায়, বিএনপির সরকারের একজন নতুন মন্ত্রীর এমন বক্তব্যে দেশবাসী গভীরভাবে হতাশ হয়েছে। পরিবহনে চাঁদাবাজির কারণে নিম্ন আয়ের সাধারণ মানুষের ওপর বাসভাড়ার বোঝা ক্রমাগত বাড়ছে, যা পরোক্ষভাবে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বৃদ্ধিতেও প্রভাব ফেলছে। এমন পরিস্থিতি দেশের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে এবং সরকারকে জনসম্মুখে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।