জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম তারিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে একটি আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন। পোস্টে তিনি তারেক রহমানকে ‘বাংলার লুথার কিং’ ও ‘রাজনীতির প্রমিথিউস’ সহ বিভিন্ন বিশেষণে ভূষিত করার পাশাপাশি কর্মীবান্ধব নেতা হিসেবে তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন।
নিজের ফেসবুক পোস্টে তরিকুল ইসলাম তারিক উল্লেখ করেছেন, তারেক রহমানকে একনজর দেখার জন্য তাদের অগণিত রাত নির্ঘুম কেটেছে এবং কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে অনিশ্চিত জীবনের প্রহর গুনতে গুনতে তারা আল্লাহর কাছে একটাই প্রার্থনা করেছেন যেন তারেক রহমান বাংলার মাটিতে পদার্পণ করেন। তিনি তারেক রহমানকে ‘বাংলার লুথার কিং’, ‘রাজনীতির প্রমিথিউস’, ‘আপসহীন সংগ্রামের দিকপাল’, ‘সংকটের দুর্দম নাবিক’, ‘গণতন্ত্রের নবযাত্রার অগ্রসেনানী’ এবং ‘১৮ কোটি মানুষের আবেগ, উচ্ছ্বাস ও ভালোবাসার অবিচ্ছেদ্য নাম’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। অবশেষে তারেক রহমানের সান্নিধ্য লাভ এবং তাঁর পাশে দাঁড়ানো, হাতে হাত রাখার সৌভাগ্য অর্জনকে তিনি ‘স্বপ্নের মতো বাস্তবের উজ্জ্বল প্রভাতে রূপ নেওয়া’ বলে বর্ণনা করেছেন।
তরিকুল তারিক আরও লিখেছেন, জাতীয়তাবাদী আদর্শের অনুসারীদের কাছে এটি কেবল একটি মুহূর্ত নয়, এটি এক অনির্বচনীয় প্রাপ্তি, এক অমৃতসম অর্জন, এক অনুপ্রেরণার দীপশিখা। তারেক রহমানের সাহসী নেতৃত্ব, অবিচল মনোবল ও আপসহীন সংগ্রামী চেতনা তাদের পথচলার প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। একইসাথে তিনি তারেক রহমানের দীর্ঘ নেক হায়াত কামনা করেন।
পোস্টে তারেক রহমান যে কতটা কর্মীবান্ধব, সে বিষয়টি তুলে ধরে তরিকুল ইসলাম তারিক একটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। গত ৯ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব পালনকালে হাতে আঘাত পাওয়ার পর তারেক রহমান নিয়মিত তার খোঁজখবর নিয়েছেন। এমনকি বিদায় জানাতে গেলে তখনও তিনি আঘাতের বিষয়ে জানতে চেয়েছেন এবং ডা. শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহকে ডেকে তারিকের সঠিক চিকিৎসার নির্দেশ দিয়েছেন। এই ঘটনা উল্লেখ করে তরিকুল তারিক লিখেছেন, ‘কর্মীর আঘাত যার হৃদয়কে এভাবে নাড়া দেয় সেইতো প্রকৃত নেতা।’ পরিশেষে তিনি তারেক রহমানের প্রতি গভীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করেছেন।
রিপোর্টারের নাম 

























