নিয়োগপত্র ও স্থায়ী চাকরির নিশ্চয়তা, নির্ধারিত কর্মঘণ্টা এবং জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণসহ ৭ দফা দাবি পেশ করেছে জাতীয় দোকান কর্মচারী ফেডারেশন। বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে নতুন সরকারের কাছে এই দাবিগুলো তুলে ধরেছেন ফেডারেশনের নেতারা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আমিরুল হক আমিন বলেন, সারা দেশের লাখো দোকান কর্মচারী দীর্ঘদিন ধরে বেতন-ভাতা ও কর্মপরিবেশ নিয়ে বঞ্চনার শিকার। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে তাদের জীবনযাপন অসহনীয় হয়ে উঠেছে। তিনি আরও বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, নতুন সরকার দ্রুত আমাদের দাবিগুলো বাস্তবায়নে পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং একটি ন্যায্য শ্রমনীতি প্রণয়ন করবে।”
জাতীয় দোকান কর্মচারী ফেডারেশনের এই সাত দফা দাবির মধ্যে রয়েছে:
১. সকল কর্মচারীর জন্য নিয়োগপত্র ও স্থায়ী চাকরির নিশ্চয়তা প্রদান।
২. নির্ধারিত কর্মঘণ্টা (যেমন, দৈনিক আট ঘণ্টা) সঠিকভাবে বাস্তবায়ন।
৩. বর্তমান জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ।
৪. অতিরিক্ত কাজের জন্য যথাযথ ওভারটাইম ভাতা প্রদান।
৫. ঈদ বোনাসসহ সকল বেতন-ভাতা সময়মতো পরিশোধের নিশ্চয়তা।
৬. সকল কর্মচারীর জন্য সাপ্তাহিক ছুটি নিশ্চিতকরণ।
৭. সামাজিক নিরাপত্তা সুবিধা, যেমন – পেনশন, স্বাস্থ্যসেবা ইত্যাদি চালু করা।
ফেডারেশনের সভাপতি রফিকুল ইসলাম বাবুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নেতা কামরুল হাসান, হযরত আলী মোল্লা, আব্দুস সালাম, আলেয়া বেগম, জেসমিন বেগমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। তারা সরকারের কাছে দ্রুত এসব দাবি মেনে নেওয়ার জোর আহ্বান জানান।
রিপোর্টারের নাম 

























