বাসসের প্রধান সম্পাদকের সঙ্গে অসদাচরণ এবং একটি বেসরকারি টেলিভিশনের চার সাংবাদিককে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানোর ঘটনাকে ‘অশুভ সংস্কৃতির আলামত’ হিসেবে উল্লেখ করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। একইসাথে অবিলম্বে বাধ্যতামূলক ছুটি প্রত্যাহার করে ওই চার সাংবাদিককে চাকরিতে পুনর্বহালের জোর দাবি জানিয়েছে দলটি। শুক্রবার এক বিবৃতিতে এ মন্তব্য করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ।
বিবৃতিতে শেখ ফজলুল করীম মারুফ বলেন, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) প্রধান সম্পাদকের সঙ্গে যে ধরনের আচরণ করা হয়েছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক ও ন্যাক্কারজনক। তার বিরুদ্ধে যদি কোনো যৌক্তিক অভিযোগ থেকেও থাকে, তা নিষ্পত্তির জন্য আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা উচিত ছিল। কিন্তু সেই পথ পরিহার করে একদল মানুষ একত্রিত হয়ে তাকে যেভাবে অপদস্ত করেছে, তা কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়।
একইসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, নতুন সরকার গঠনের দিনেই একটি বেসরকারি টেলিভিশনের চারজন সাংবাদিককে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানোর ঘটনাটিও গভীর উদ্বেগের। তিনি বলেন, যে কারণ দেখিয়ে তাদের ছুটিতে পাঠানো হয়েছে, তা অস্পষ্ট এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে প্রতীয়মান হয়। কোনো ধরনের ব্যাখ্যা তলব বা আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে কাউকে চাকরিচ্যুত করা বা বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো অমানবিক ও স্বেচ্ছাচারী আচরণের শামিল।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এই নেতা উভয় ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, এ ধরনের ঘটনা গণমাধ্যম ও গণতন্ত্রের জন্য শুভ নয়। তিনি অবিলম্বে সাংবাদিক মাহমুদ রাকিব, আজহারুল ইসলাম, মুজাহিদ শুভ ও বেলায়েত হোসাইনের বাধ্যতামূলক ছুটি প্রত্যাহার করে তাদের স্ব স্ব পদে পুনর্বহালের জোর দাবি জানান।
রিপোর্টারের নাম 

























