ঢাকা ০৩:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নির্বাচন কমিশনে বড় ধরনের শুদ্ধি অভিযান: ১৫ কর্মী বরখাস্ত

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৬:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

নির্বাচন কমিশন (ইসি) থেকে ১৫ জন কর্মীকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। গুরুতর অসদাচরণ ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে নয়জনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে, এবং বাকি ছয়জনের নিয়োগপত্র সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বাতিল করেছে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের উপপ্রকল্প পরিচালক (প্রশাসন) মেজর মাহমুদুল হাসান তালুকদার স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

অফিস আদেশে জানানো হয়েছে, বরখাস্ত হওয়া নয়জন কর্মীর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সত্যতা যাচাই হওয়ার পর তাদের চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, ছয়জনের নিয়োগ প্রক্রিয়াতে ত্রুটি থাকায় তাদের নিয়োগপত্র বাতিল করা হয়েছে। এই ১৫ জন কর্মীর সকল আইডি কার্ড ও প্রবেশাধিকার বাতিল করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বরখাস্ত হওয়া কর্মীদের মধ্যে রয়েছেন মো. আবদুল্লাহ আল মামুন, মো. আবু বকর সিদ্দিক, মো. জসিম উদ্দিন, ওয়ায়েত হোসেন, মো. আল আমিন, আফজাল হোসেন লিটন, শাহা জাহান, পাপন শর্মা, মো. বিলাল উদ্দিন, প্রাণেশ চন্দ্র মজুমদার, মো. নুরুল ইসলাম, আশরাফুল ইসলাম, মো. আবুল হোসেন সরকার, মো. মিজানুর রহমান এবং মো. আনিছুর রহমান। তারা দেশের বিভিন্ন উপজেলা ও জেলা নির্বাচন অফিসে ডাটা এন্ট্রি অপারেটর বা সমমানের পদে কর্মরত ছিলেন।

নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার লক্ষ্যে এই কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। তবে, বরখাস্তের আদেশে নির্দিষ্টভাবে কারও বিরুদ্ধে কী ধরনের অভিযোগ আনা হয়েছে বা তার প্রমাণ বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়নি। এই ঘটনা নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রমে একটি বড় ধরনের শুদ্ধি অভিযানের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ভোট দেব আমরা, পদ পাবে অন্যরা—এই বৈষম্য চলতে পারে না’: পাহাড়ে সম-অধিকারের দাবি

নির্বাচন কমিশনে বড় ধরনের শুদ্ধি অভিযান: ১৫ কর্মী বরখাস্ত

আপডেট সময় : ০৮:৫৬:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নির্বাচন কমিশন (ইসি) থেকে ১৫ জন কর্মীকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। গুরুতর অসদাচরণ ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে নয়জনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে, এবং বাকি ছয়জনের নিয়োগপত্র সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বাতিল করেছে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের উপপ্রকল্প পরিচালক (প্রশাসন) মেজর মাহমুদুল হাসান তালুকদার স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

অফিস আদেশে জানানো হয়েছে, বরখাস্ত হওয়া নয়জন কর্মীর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সত্যতা যাচাই হওয়ার পর তাদের চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, ছয়জনের নিয়োগ প্রক্রিয়াতে ত্রুটি থাকায় তাদের নিয়োগপত্র বাতিল করা হয়েছে। এই ১৫ জন কর্মীর সকল আইডি কার্ড ও প্রবেশাধিকার বাতিল করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বরখাস্ত হওয়া কর্মীদের মধ্যে রয়েছেন মো. আবদুল্লাহ আল মামুন, মো. আবু বকর সিদ্দিক, মো. জসিম উদ্দিন, ওয়ায়েত হোসেন, মো. আল আমিন, আফজাল হোসেন লিটন, শাহা জাহান, পাপন শর্মা, মো. বিলাল উদ্দিন, প্রাণেশ চন্দ্র মজুমদার, মো. নুরুল ইসলাম, আশরাফুল ইসলাম, মো. আবুল হোসেন সরকার, মো. মিজানুর রহমান এবং মো. আনিছুর রহমান। তারা দেশের বিভিন্ন উপজেলা ও জেলা নির্বাচন অফিসে ডাটা এন্ট্রি অপারেটর বা সমমানের পদে কর্মরত ছিলেন।

নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার লক্ষ্যে এই কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। তবে, বরখাস্তের আদেশে নির্দিষ্টভাবে কারও বিরুদ্ধে কী ধরনের অভিযোগ আনা হয়েছে বা তার প্রমাণ বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়নি। এই ঘটনা নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রমে একটি বড় ধরনের শুদ্ধি অভিযানের ইঙ্গিত দিচ্ছে।