ঢাকা ০৫:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

প্রশাসনে গতি আনতে শনিবারও অফিস করবেন প্রধানমন্ত্রী; এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি ও প্লট না নেওয়ার নির্দেশ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:১৬:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

সরকারি কর্মকাণ্ডে গতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এবং জনসেবা নিশ্চিত করতে সাপ্তাহিক ছুটির দিন শনিবারও অফিস করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এখন থেকে সপ্তাহের অন্যান্য কর্মদিবসের মতো শনিবারও তিনি নিয়মিত দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। মূলত স্থবিরতা কাটিয়ে প্রশাসনকে আরও চটপটে ও কার্যকর করে তুলতেই তিনি এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন।

দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই প্রধানমন্ত্রী জনস্বার্থে বেশ কিছু কঠোর ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। এরই অংশ হিসেবে সংসদ সদস্যদের (এমপি) জন্য প্রচলিত শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা এবং বিশেষ প্লট বরাদ্দের সুযোগ বন্ধের সিদ্ধান্ত দিয়েছেন তিনি। বিলাসিতা পরিহার করে জনগণের সেবক হিসেবে আত্মনিয়োগ করার এই নির্দেশনা রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।

এছাড়া রাষ্ট্রীয় ব্যয় সংকোচনে মন্ত্রিসভার সদস্যদের প্রতি বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি মন্ত্রীদের ব্যক্তিগত ও দাপ্তরিক কাজে সব ধরনের বাহুল্য খরচ বর্জন করার নির্দেশ দিয়েছেন। সরকারি অর্থ অপচয় রোধ করে মিতব্যয়ী হওয়ার মাধ্যমে জনকল্যাণে মনোযোগী হতে তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে তাগিদ দেন। মূলত একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা গড়ে তুলতেই প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে এসব কঠোর বার্তা দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা ‘বেপরোয়া’, আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ: ব্রিটিশ এমপি

প্রশাসনে গতি আনতে শনিবারও অফিস করবেন প্রধানমন্ত্রী; এমপিদের শুল্কমুক্ত গাড়ি ও প্লট না নেওয়ার নির্দেশ

আপডেট সময় : ০৮:১৬:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সরকারি কর্মকাণ্ডে গতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এবং জনসেবা নিশ্চিত করতে সাপ্তাহিক ছুটির দিন শনিবারও অফিস করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এখন থেকে সপ্তাহের অন্যান্য কর্মদিবসের মতো শনিবারও তিনি নিয়মিত দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। মূলত স্থবিরতা কাটিয়ে প্রশাসনকে আরও চটপটে ও কার্যকর করে তুলতেই তিনি এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন।

দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই প্রধানমন্ত্রী জনস্বার্থে বেশ কিছু কঠোর ও যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। এরই অংশ হিসেবে সংসদ সদস্যদের (এমপি) জন্য প্রচলিত শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা এবং বিশেষ প্লট বরাদ্দের সুযোগ বন্ধের সিদ্ধান্ত দিয়েছেন তিনি। বিলাসিতা পরিহার করে জনগণের সেবক হিসেবে আত্মনিয়োগ করার এই নির্দেশনা রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।

এছাড়া রাষ্ট্রীয় ব্যয় সংকোচনে মন্ত্রিসভার সদস্যদের প্রতি বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি মন্ত্রীদের ব্যক্তিগত ও দাপ্তরিক কাজে সব ধরনের বাহুল্য খরচ বর্জন করার নির্দেশ দিয়েছেন। সরকারি অর্থ অপচয় রোধ করে মিতব্যয়ী হওয়ার মাধ্যমে জনকল্যাণে মনোযোগী হতে তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে তাগিদ দেন। মূলত একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা গড়ে তুলতেই প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে এসব কঠোর বার্তা দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।