পবিত্র রমজান মাসজুড়ে রাজধানীর কড়াইল ও ভাসানটেক এলাকার ১৪টি এতিমখানা ও হেফজ মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের খাবারের দায়িত্ব নিয়েছেন ঢাকা-১৭ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। পুরো মাসব্যাপী এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত ইফতার, রাতের খাবার ও সেহরির যাবতীয় ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসা ও এতিমখানাগুলোতে সশরীরে উপস্থিত হয়ে এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন জাইমা রহমান। এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের হাতে খাবার সামগ্রী তুলে দেন এবং পুরো মাসের খাদ্য সরবরাহ প্রক্রিয়াটি তদারকি করেন।
আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, রমজান মাসে শিক্ষার্থীদের পুষ্টি ও স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে একটি সুপরিকল্পিত খাদ্যতালিকা তৈরি করা হয়েছে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য প্রতিদিনের ইফতার থেকে শুরু করে সেহরি পর্যন্ত প্রয়োজনীয় সব ধরনের খাবারের নিরবিচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে, যাতে রমজানজুড়ে তাদের কোনো খাদ্য সংকটে পড়তে না হয়।
এই মানবিক উদ্যোগ প্রসঙ্গে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান বলেন, “অসহায় ও এতিম শিশুদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের সামাজিক ও নৈতিক দায়িত্ব। রমজান মাসে এই শিশুরা যাতে কোনো চিন্তা ছাড়াই ইবাদত এবং তাদের পড়াশোনায় মনোনিবেশ করতে পারে, সেই লক্ষ্যেই আমি এই ক্ষুদ্র প্রয়াস গ্রহণ করেছি।”
এদিকে জাইমা রহমানের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় বাসিন্দারা। তারা জানান, দীর্ঘ এক মাসের খাবারের নিশ্চয়তা পাওয়ায় এতিম শিক্ষার্থীদের জন্য এটি বড় একটি স্বস্তির বিষয়। ভবিষ্যতে সমাজের বিত্তবানদের এমন মানবিক কর্মকাণ্ডে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তারা।
রিপোর্টারের নাম 























