পরমাণু কর্মসূচি ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বহু প্রতীক্ষিত দ্বিতীয় দফার উচ্চপর্যায়ের বৈঠক আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় শুরু হচ্ছে। এই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় অংশ নিতে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জেনেভায় পৌঁছেছেন, যেখানে উভয় পক্ষ একটি ‘ন্যায্য ও সমতাভিত্তিক’ চুক্তির লক্ষ্যে বাস্তবসম্মত প্রস্তাব নিয়ে মুখোমুখি হচ্ছে।
আলোচনার প্রাক্কালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি এই প্রক্রিয়ায় ‘পরোক্ষভাবে’ যুক্ত থাকবেন। এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, আলোচনাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং তার বিশ্বাস, ইরান একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে আগ্রহী।
এর আগে ওমানের মধ্যস্থতায় অনুষ্ঠিত প্রথম দফার বৈঠকে তেহরান ৬০ শতাংশ ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। এবারও মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আল-বুসাইদি উপস্থিত থাকবেন।
দ্বিতীয় দফার এই বৈঠকে মার্কিন পক্ষ থেকে বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার অংশ নিতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। অন্যদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও মন্তব্য করেছেন, কূটনৈতিক সমাধানের সুযোগ থাকলেও একটি চুক্তিতে পৌঁছানো সহজ হবে না।
বৈঠকের আগে ইরান তাদের অবস্থান স্পষ্ট করে জানিয়েছে, নিষেধাজ্ঞা শিথিল না হলে কোনো সমঝোতা সম্ভব নয়। তাদের মতে, চুক্তিটি অবশ্যই ‘দেয়া-নেয়ার’ ভিত্তিতে হতে হবে এবং শূন্য ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের দাবি তারা কোনোভাবেই মেনে নেবে না। এই পরিস্থিতিতে জেনেভার বৈঠক দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা নিরসনে কতটা কার্যকর হয়, সেদিকেই তাকিয়ে আছে আন্তর্জাতিক মহল।
রিপোর্টারের নাম 






















