ঢাকা ০৯:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

মার্চে ভারত সফর করবেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩৩:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার ও একটি পূর্ণাঙ্গ অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তির (সিইপিএ) রূপরেখা চূড়ান্ত করতে আগামী মার্চের শুরুতে ভারত সফরে যাচ্ছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি। সোমবার কানাডার অন্টারিও প্রদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও বাণিজ্যমন্ত্রী ভিক্টর ফেডেলি এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর আমলে শিখ নেতা হত্যাকে কেন্দ্র করে ভারতের সঙ্গে কানাডার যে কূটনৈতিক টানাপোড়েন শুরু হয়েছিল, এই সফরের মাধ্যমে মার্ক কার্নি সেই সম্পর্ক পুনর্গঠন করতে চাইছেন বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কানাডার ওপর নতুন করে শুল্ক আরোপ করার পর অটোয়া এখন বিকল্প বাজারের সন্ধানে মরিয়া। প্রধানমন্ত্রী কার্নি তার দেশের শীর্ষ বাণিজ্য সহযোগী যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে অংশীদারত্বের বৈচিত্র্য আনতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছেন।

ভিক্টর ফেডেলি জানান, আগামী ১ ও ২ মার্চ কার্নি নয়া দিল্লিতে অবস্থান করতে পারেন। সেখানে তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে প্রস্তাবিত বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে আলোচনা করবেন। গত নভেম্বরে জি-২০ সম্মেলনের ফাঁকে দুই নেতা ২০৩০ সালের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য দ্বিগুণ করে ৫০ বিলিয়ন ডলারে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছিলেন।

২০২৩ সালে এক শিখ বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতার হত্যাকাণ্ডে ভারত সরকারের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। ভারত এই অভিযোগ শুরু থেকেই অস্বীকার করে আসছে। মার্ক কার্নি এখন সেই তিক্ততা কাটিয়ে দিল্লির সঙ্গে সম্পর্কের নতুন সূচনার চেষ্টা করছেন।

ফেডেলি আরও জানান, কেন্দ্রীয় সরকার ইতোমধ্যে অন্টারিওসহ বিভিন্ন প্রদেশের মতামত গ্রহণ করেছে, যা এই আলোচনা সফল করার পথ প্রশস্ত করবে।

বর্তমানে এআই-কেন্দ্রিক একটি বৈশ্বিক সম্মেলনে অংশ নিতে এবং অন্টারিওতে ভারতীয় বিনিয়োগ আকর্ষণে নয়া দিল্লিতে অবস্থান করছেন ভিক্টর ফেডেলি। তিনি জানান, ২০১৮ সাল থেকে অন্টারিও ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্য ৬০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এইচসিএল, পেটিএম এবং টাটা কনসালটেন্সির মতো শীর্ষস্থানীয় ভারতীয় প্রতিষ্ঠানগুলো ইতোমধ্যে অন্টারিওতে তাদের শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছে।

 

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবার ডিনস অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত ১৩ শিক্ষক-শিক্ষার্থী

মার্চে ভারত সফর করবেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১০:৩৩:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার ও একটি পূর্ণাঙ্গ অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তির (সিইপিএ) রূপরেখা চূড়ান্ত করতে আগামী মার্চের শুরুতে ভারত সফরে যাচ্ছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি। সোমবার কানাডার অন্টারিও প্রদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও বাণিজ্যমন্ত্রী ভিক্টর ফেডেলি এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর আমলে শিখ নেতা হত্যাকে কেন্দ্র করে ভারতের সঙ্গে কানাডার যে কূটনৈতিক টানাপোড়েন শুরু হয়েছিল, এই সফরের মাধ্যমে মার্ক কার্নি সেই সম্পর্ক পুনর্গঠন করতে চাইছেন বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কানাডার ওপর নতুন করে শুল্ক আরোপ করার পর অটোয়া এখন বিকল্প বাজারের সন্ধানে মরিয়া। প্রধানমন্ত্রী কার্নি তার দেশের শীর্ষ বাণিজ্য সহযোগী যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে অংশীদারত্বের বৈচিত্র্য আনতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছেন।

ভিক্টর ফেডেলি জানান, আগামী ১ ও ২ মার্চ কার্নি নয়া দিল্লিতে অবস্থান করতে পারেন। সেখানে তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে প্রস্তাবিত বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে আলোচনা করবেন। গত নভেম্বরে জি-২০ সম্মেলনের ফাঁকে দুই নেতা ২০৩০ সালের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য দ্বিগুণ করে ৫০ বিলিয়ন ডলারে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছিলেন।

২০২৩ সালে এক শিখ বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতার হত্যাকাণ্ডে ভারত সরকারের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। ভারত এই অভিযোগ শুরু থেকেই অস্বীকার করে আসছে। মার্ক কার্নি এখন সেই তিক্ততা কাটিয়ে দিল্লির সঙ্গে সম্পর্কের নতুন সূচনার চেষ্টা করছেন।

ফেডেলি আরও জানান, কেন্দ্রীয় সরকার ইতোমধ্যে অন্টারিওসহ বিভিন্ন প্রদেশের মতামত গ্রহণ করেছে, যা এই আলোচনা সফল করার পথ প্রশস্ত করবে।

বর্তমানে এআই-কেন্দ্রিক একটি বৈশ্বিক সম্মেলনে অংশ নিতে এবং অন্টারিওতে ভারতীয় বিনিয়োগ আকর্ষণে নয়া দিল্লিতে অবস্থান করছেন ভিক্টর ফেডেলি। তিনি জানান, ২০১৮ সাল থেকে অন্টারিও ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্য ৬০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এইচসিএল, পেটিএম এবং টাটা কনসালটেন্সির মতো শীর্ষস্থানীয় ভারতীয় প্রতিষ্ঠানগুলো ইতোমধ্যে অন্টারিওতে তাদের শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছে।