ঢাকা ০৪:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬

নির্বাচনী ফলাফল মেনে নিয়ে ঝিনাইদহ-৪ আসনের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালেন রাশেদ খান

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৭:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ) আসনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রাশেদ খান। এই আসনে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবু তালিব, যিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে বিপুল সংখ্যক ভোট পেয়েছেন।

নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পরদিন শুক্রবার দুপুরে, রাশেদ খান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি বার্তা পোস্ট করে এই আসনের সম্মানিত নাগরিকদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, এই নির্বাচন তার জন্য একটি নতুন অভিজ্ঞতা ছিল এবং নানামুখী প্রতিকূলতা সত্ত্বেও তিনি স্বল্প সময়ে নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। এই নির্বাচনী প্রচারণার সময়ে জনগণের কাছ থেকে প্রাপ্ত অফুরন্ত ভালোবাসা তাকে মুগ্ধ করেছে বলেও তিনি জানান।

রাশেদ খান আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন যে, যেহেতু বিএনপি বর্তমানে ক্ষমতায় রয়েছে, তাই ঝিনাইদহ-৪ আসনের সকল উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বিএনপি সরকারের মাধ্যমেই সম্পন্ন হবে। তিনি জনগণের কাছে দেওয়া সকল প্রতিশ্রুতি পূরণের ব্যাপারেও দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এছাড়াও, তিনি কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হামিদুল ইসলাম হামিদ সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ যারা তাকে সাহস জুগিয়েছেন এবং পাশে থেকেছেন, তাদের প্রতিও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

পরিশেষে, তিনি সকলের প্রতি সহনশীল ও ধৈর্যশীল থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। সকল পরিস্থিতি মেনে নিয়ে নতুনভাবে এগিয়ে যাওয়ার উপর তিনি জোর দেন এবং সকলের জন্য মহান আল্লাহর কাছে দোয়া কামনা করেন।

উল্লেখ্য, রাজনীতিতে রাশেদ খানের নতুন প্রবেশ এবং দলীয় কোন্দল এই আসনে বিএনপির জন্য একটি চ্যালেঞ্জ ছিল। দল থেকে সাইফুল ইসলাম ফিরোজ সহ তার শতাধিক নেতাকর্মীকে বহিষ্কারের ঘটনাও ঘটেছিল। অন্যদিকে, রাশেদ খান বিএনপি নেতা হামিদুল ইসলাম হামিদ এবং মুর্শিদা জামানের সমর্থন নিয়ে নির্বাচনী লড়াইয়ে অংশ নেন। এর ফলে, বিএনপি ভোটারদের মধ্যে বিভক্তি দেখা যায়। রাশেদ খান এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ফিরোজ সম্মিলিতভাবে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৩২৮ ভোট পেলেও, বিজয়ী প্রার্থী আবু তালিব ১ লাখ ৫ হাজার ৯৯৯ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মানিকছড়িতে ১৮ বছর পর বিএনপির ত্রিবার্ষিক কাউন্সিল: নতুন নেতৃত্বে দল পুনর্গঠন ও তৃণমূলে শক্তিশালীকরণের বার্তা

নির্বাচনী ফলাফল মেনে নিয়ে ঝিনাইদহ-৪ আসনের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালেন রাশেদ খান

আপডেট সময় : ০৬:৪৭:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ) আসনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রাশেদ খান। এই আসনে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবু তালিব, যিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে বিপুল সংখ্যক ভোট পেয়েছেন।

নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পরদিন শুক্রবার দুপুরে, রাশেদ খান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি বার্তা পোস্ট করে এই আসনের সম্মানিত নাগরিকদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, এই নির্বাচন তার জন্য একটি নতুন অভিজ্ঞতা ছিল এবং নানামুখী প্রতিকূলতা সত্ত্বেও তিনি স্বল্প সময়ে নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন। এই নির্বাচনী প্রচারণার সময়ে জনগণের কাছ থেকে প্রাপ্ত অফুরন্ত ভালোবাসা তাকে মুগ্ধ করেছে বলেও তিনি জানান।

রাশেদ খান আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন যে, যেহেতু বিএনপি বর্তমানে ক্ষমতায় রয়েছে, তাই ঝিনাইদহ-৪ আসনের সকল উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বিএনপি সরকারের মাধ্যমেই সম্পন্ন হবে। তিনি জনগণের কাছে দেওয়া সকল প্রতিশ্রুতি পূরণের ব্যাপারেও দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এছাড়াও, তিনি কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হামিদুল ইসলাম হামিদ সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ যারা তাকে সাহস জুগিয়েছেন এবং পাশে থেকেছেন, তাদের প্রতিও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

পরিশেষে, তিনি সকলের প্রতি সহনশীল ও ধৈর্যশীল থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। সকল পরিস্থিতি মেনে নিয়ে নতুনভাবে এগিয়ে যাওয়ার উপর তিনি জোর দেন এবং সকলের জন্য মহান আল্লাহর কাছে দোয়া কামনা করেন।

উল্লেখ্য, রাজনীতিতে রাশেদ খানের নতুন প্রবেশ এবং দলীয় কোন্দল এই আসনে বিএনপির জন্য একটি চ্যালেঞ্জ ছিল। দল থেকে সাইফুল ইসলাম ফিরোজ সহ তার শতাধিক নেতাকর্মীকে বহিষ্কারের ঘটনাও ঘটেছিল। অন্যদিকে, রাশেদ খান বিএনপি নেতা হামিদুল ইসলাম হামিদ এবং মুর্শিদা জামানের সমর্থন নিয়ে নির্বাচনী লড়াইয়ে অংশ নেন। এর ফলে, বিএনপি ভোটারদের মধ্যে বিভক্তি দেখা যায়। রাশেদ খান এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ফিরোজ সম্মিলিতভাবে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৩২৮ ভোট পেলেও, বিজয়ী প্রার্থী আবু তালিব ১ লাখ ৫ হাজার ৯৯৯ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন।