ঢাকা ০৪:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: ঢাকার ২০ আসনে ১৩টিতে বিএনপির জয়, ৭টি জোটের দখলে

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:১৩:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফলে রাজধানীর ২০টি সংসদীয় আসনের চিত্র স্পষ্ট হয়েছে। এর মধ্যে প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ১৩টি আসনে জয়লাভ করে ঢাকা মহানগরীতে নিজেদের শক্ত অবস্থান জানান দিয়েছে। বাকি ৭টি আসনে বিজয়ী হয়েছেন ১১–দলীয় নির্বাচনি জোটের প্রার্থীরা, যাদের মধ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৬টি এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ১টি আসনে জয় পেয়েছে। ঢাকার কোন আসনে কে কত ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন, তার বিস্তারিত তথ্য নিচে তুলে ধরা হলো:

ঢাকা ১: এই আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৭৮১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির খোন্দকার আবু আশফাক। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ১২ হাজার ৬২২ ভোট পেয়েছেন।

ঢাকা ২: বিএনপির আমানউল্লাহ আমান ১ লাখ ৬৩ হাজার ২০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের কর্নেল (অব.) আব্দুল হক পেয়েছেন ৭৮ হাজার ৬৫৫ ভোট।

ঢাকা ৩: গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ৯৮ হাজার ৭৮৫ ভোট পেয়ে ঢাকা-৩ আসনে বিএনপির হয়ে জয়লাভ করেছেন। জামায়াতের শাহীনুল ইসলাম ৮২ হাজার ২৩২ ভোট পেয়ে তার নিকটতম অবস্থানে ছিলেন।

ঢাকা ৪: প্রায় ৩ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সৈয়দ জয়নুল আবেদীন। দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে তিনি মোট ৭৭ হাজার ৩৬৭ ভোট পান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির তানভীর আহমেদ পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৪৪৭ ভোট।

ঢাকা ৫: জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ কামাল হোসেন ৯ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে এই আসনে জয়ী হয়েছেন। তিনি ৯৬ হাজার ৬৪১ ভোট পেয়ে বিএনপির মো. নবী উল্লাহকে (৮৭ হাজার ৪৯১ ভোট) পরাজিত করেন।

ঢাকা ৬: বিএনপির ইশরাক হোসেন ৭৮ হাজার ৮৫০ ভোট পেয়ে ঢাকা-৬ আসনে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মো. আবদুল মান্নানকে (৫৫ হাজার ৬৯৭ ভোট) ২৩ হাজার ১৫৩ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন।

ঢাকা ৭: বিএনপির হামিদুর রহমান ১ লাখ ৪ হাজার ৬৬৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. এনায়েত উল্লা পেয়েছেন ৯৮ হাজার ৪৮৩ ভোট। অর্থাৎ, হামিদুর রহমান ৬ হাজার ১৮৩ ভোটের ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেন।

ঢাকা ৮: বিএনপির মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ এই আসনে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের মোহাম্মদ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর চেয়ে ৫ হাজার ২৩৯ ভোট বেশি পেয়ে জয়লাভ করেন।

ঢাকা ৯: ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ১১ হাজার ২১২ ভোট পেয়ে ঢাকা-৯ আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির হাবিবুর রশিদ। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মোহাম্মদ জাবেদ মিয়া পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৪৬০ ভোট। এ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা ফুটবল প্রতীকে ৪৪ হাজার ৬৮৪ ভোট পেয়েছেন।

ঢাকা ১০: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শেখ রবিউল আলম ৮০ হাজার ৪৩৬ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তিনি নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী মো. জসীম উদ্দীন সরকারের চেয়ে ৩ হাজার ৩০০ ভোট বেশি পেয়েছেন। জসীম উদ্দীন পেয়েছেন ৭৭ হাজার ১৩৬ ভোট।

ঢাকা ১১: জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী নাহিদ ইসলাম ২ হাজার ৩৯ ভোটের ব্যবধানে এই আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। শাপলা কলি প্রতীকে তিনি ৯৩ হাজার ৮৭২ ভোট পেয়ে বিএনপির এম এ কাইয়ুমকে (৯১ হাজার ৮৩৩ ভোট) পরাজিত করেন।

ঢাকা ১২: জামায়াতের প্রার্থী মো. সাইফুল আলম ৫৩ হাজার ৭৭৩ ভোট পেয়ে ঢাকা-১২ আসনে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোটের প্রার্থী বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুল হক কোদাল প্রতীকে পেয়েছেন ৩০ হাজার ৯৬৩ ভোট।

ঢাকা ১৩: বিএনপি সমর্থিত ববি হাজ্জাজ ৮৮ হাজার ৩৮৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত ১১–দলীয় ঐক্যের প্রার্থী মামুনুল হকের (৮৬ হাজার ৬৭ ভোট) চেয়ে ২ হাজার ৩২০ ভোট বেশি পান।

ঢাকা ১৪: জামায়াতে ইসলামীর মীর আহমাদ বিন কাসেম দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ১ হাজার ১১৩ ভোট পেয়ে এই আসনে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সানজিদা ইসলাম পেয়েছেন ৮৩ হাজার ৩২৩ ভোট।

ঢাকা ১৫: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান ৮৫ হাজার ১৩১ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. শফিকুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৬৩ হাজার ৫১৭ ভোট। জামায়াতের আমির ২১ হাজার ৬১৪ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।

ঢাকা ১৬: জামায়াতে ইসলামীর মো. আব্দুল বাতেন ৮৮ হাজার ৮২৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. আমিনুল হককে (৮৫ হাজার ৪৬৭ ভোট) ৩ হাজার ৩৬১ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন।

ঢাকা ১৭: বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ৭২ হাজার ৬৯৯ ভোট পেয়ে এই আসনে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর স ম খালিদুজ্জামান পেয়েছেন ৬৮ হাজার ৩০০ ভোট। তারেক রহমান ৪ হাজার ৩৯৯ ভোটের ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেন।

ঢাকা ১৮: বিএনপির এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন ১ লাখ ৪৪ হাজার ৭১৫ ভোট (পোস্টাল ব্যালটসহ) পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি এনসিপির প্রার্থী আরিফুল ইসলামকে (১ লাখ ১১ হাজার ২৯৭ ভোট) ৩৩ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন।

ঢাকা ১৯: দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন ১ লাখ ৯০ হাজার ৯৭৬ ভোট পেয়ে ঢাকা-১৯ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির দিলশানা পারুল পেয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ২৮৩ ভোট।

ঢাকা ২০: ঢাকা-২০ (ধামরাই) আসনে বিএনপির মো. তমিজ উদ্দিন ১ লাখ ৬০ হাজার ৪২৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১–দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের প্রার্থী এনসিপির নাবিলা তাসনিদ পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৩৪৩ ভোট।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নাতানজ পারমাণবিক কেন্দ্রে হামলা, ইরানের পাল্টা জবাবের ইঙ্গিত

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: ঢাকার ২০ আসনে ১৩টিতে বিএনপির জয়, ৭টি জোটের দখলে

আপডেট সময় : ০৪:১৩:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফলে রাজধানীর ২০টি সংসদীয় আসনের চিত্র স্পষ্ট হয়েছে। এর মধ্যে প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ১৩টি আসনে জয়লাভ করে ঢাকা মহানগরীতে নিজেদের শক্ত অবস্থান জানান দিয়েছে। বাকি ৭টি আসনে বিজয়ী হয়েছেন ১১–দলীয় নির্বাচনি জোটের প্রার্থীরা, যাদের মধ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৬টি এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ১টি আসনে জয় পেয়েছে। ঢাকার কোন আসনে কে কত ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন, তার বিস্তারিত তথ্য নিচে তুলে ধরা হলো:

ঢাকা ১: এই আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৭৮১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির খোন্দকার আবু আশফাক। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ১২ হাজার ৬২২ ভোট পেয়েছেন।

ঢাকা ২: বিএনপির আমানউল্লাহ আমান ১ লাখ ৬৩ হাজার ২০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের কর্নেল (অব.) আব্দুল হক পেয়েছেন ৭৮ হাজার ৬৫৫ ভোট।

ঢাকা ৩: গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ৯৮ হাজার ৭৮৫ ভোট পেয়ে ঢাকা-৩ আসনে বিএনপির হয়ে জয়লাভ করেছেন। জামায়াতের শাহীনুল ইসলাম ৮২ হাজার ২৩২ ভোট পেয়ে তার নিকটতম অবস্থানে ছিলেন।

ঢাকা ৪: প্রায় ৩ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সৈয়দ জয়নুল আবেদীন। দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে তিনি মোট ৭৭ হাজার ৩৬৭ ভোট পান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির তানভীর আহমেদ পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৪৪৭ ভোট।

ঢাকা ৫: জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ কামাল হোসেন ৯ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে এই আসনে জয়ী হয়েছেন। তিনি ৯৬ হাজার ৬৪১ ভোট পেয়ে বিএনপির মো. নবী উল্লাহকে (৮৭ হাজার ৪৯১ ভোট) পরাজিত করেন।

ঢাকা ৬: বিএনপির ইশরাক হোসেন ৭৮ হাজার ৮৫০ ভোট পেয়ে ঢাকা-৬ আসনে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মো. আবদুল মান্নানকে (৫৫ হাজার ৬৯৭ ভোট) ২৩ হাজার ১৫৩ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন।

ঢাকা ৭: বিএনপির হামিদুর রহমান ১ লাখ ৪ হাজার ৬৬৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের মো. এনায়েত উল্লা পেয়েছেন ৯৮ হাজার ৪৮৩ ভোট। অর্থাৎ, হামিদুর রহমান ৬ হাজার ১৮৩ ভোটের ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেন।

ঢাকা ৮: বিএনপির মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ এই আসনে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের মোহাম্মদ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর চেয়ে ৫ হাজার ২৩৯ ভোট বেশি পেয়ে জয়লাভ করেন।

ঢাকা ৯: ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ১১ হাজার ২১২ ভোট পেয়ে ঢাকা-৯ আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির হাবিবুর রশিদ। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মোহাম্মদ জাবেদ মিয়া পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৪৬০ ভোট। এ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা ফুটবল প্রতীকে ৪৪ হাজার ৬৮৪ ভোট পেয়েছেন।

ঢাকা ১০: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শেখ রবিউল আলম ৮০ হাজার ৪৩৬ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তিনি নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী মো. জসীম উদ্দীন সরকারের চেয়ে ৩ হাজার ৩০০ ভোট বেশি পেয়েছেন। জসীম উদ্দীন পেয়েছেন ৭৭ হাজার ১৩৬ ভোট।

ঢাকা ১১: জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী নাহিদ ইসলাম ২ হাজার ৩৯ ভোটের ব্যবধানে এই আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। শাপলা কলি প্রতীকে তিনি ৯৩ হাজার ৮৭২ ভোট পেয়ে বিএনপির এম এ কাইয়ুমকে (৯১ হাজার ৮৩৩ ভোট) পরাজিত করেন।

ঢাকা ১২: জামায়াতের প্রার্থী মো. সাইফুল আলম ৫৩ হাজার ৭৭৩ ভোট পেয়ে ঢাকা-১২ আসনে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোটের প্রার্থী বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুল হক কোদাল প্রতীকে পেয়েছেন ৩০ হাজার ৯৬৩ ভোট।

ঢাকা ১৩: বিএনপি সমর্থিত ববি হাজ্জাজ ৮৮ হাজার ৩৮৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত ১১–দলীয় ঐক্যের প্রার্থী মামুনুল হকের (৮৬ হাজার ৬৭ ভোট) চেয়ে ২ হাজার ৩২০ ভোট বেশি পান।

ঢাকা ১৪: জামায়াতে ইসলামীর মীর আহমাদ বিন কাসেম দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ১ হাজার ১১৩ ভোট পেয়ে এই আসনে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সানজিদা ইসলাম পেয়েছেন ৮৩ হাজার ৩২৩ ভোট।

ঢাকা ১৫: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান ৮৫ হাজার ১৩১ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. শফিকুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৬৩ হাজার ৫১৭ ভোট। জামায়াতের আমির ২১ হাজার ৬১৪ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।

ঢাকা ১৬: জামায়াতে ইসলামীর মো. আব্দুল বাতেন ৮৮ হাজার ৮২৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. আমিনুল হককে (৮৫ হাজার ৪৬৭ ভোট) ৩ হাজার ৩৬১ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন।

ঢাকা ১৭: বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ৭২ হাজার ৬৯৯ ভোট পেয়ে এই আসনে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর স ম খালিদুজ্জামান পেয়েছেন ৬৮ হাজার ৩০০ ভোট। তারেক রহমান ৪ হাজার ৩৯৯ ভোটের ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেন।

ঢাকা ১৮: বিএনপির এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন ১ লাখ ৪৪ হাজার ৭১৫ ভোট (পোস্টাল ব্যালটসহ) পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। তিনি এনসিপির প্রার্থী আরিফুল ইসলামকে (১ লাখ ১১ হাজার ২৯৭ ভোট) ৩৩ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন।

ঢাকা ১৯: দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন ১ লাখ ৯০ হাজার ৯৭৬ ভোট পেয়ে ঢাকা-১৯ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির দিলশানা পারুল পেয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ২৮৩ ভোট।

ঢাকা ২০: ঢাকা-২০ (ধামরাই) আসনে বিএনপির মো. তমিজ উদ্দিন ১ লাখ ৬০ হাজার ৪২৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১–দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের প্রার্থী এনসিপির নাবিলা তাসনিদ পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৩৪৩ ভোট।