উৎসবমুখর পরিবেশ। সকাল থেকে ভোট কেন্দ্রে লাইন। বেলা বাড়তেই ভিড় লক্ষ্যণীয়। ভোট দিতে পেরে খুশি সবাই। ভোগান্তি ছাড়াই পুরান ঢাকার কেন্দ্রগুলোতে ভোট দিচ্ছেন ভোটাররা।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) গেন্ডারিয়ার সিরাজুল ইসলাম অ্যাকাডেমি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিতে এসে খুশি নাদিম হাসান রোহান। তিনি বলেন, জীবনে প্রথম ভোট দেওয়ার সুযোপ পেয়েছি। তাই সুযোগটি হারাতে চাইনি।
শ্বশুর বাড়ি উত্তর বাড্ডা থেকে এসে প্রথম ভোটাধিকার প্রয়োগ করে খুশি সাদিয়া ইসলাম রিয়া। তিনি বলেন, একবার চিন্তা করেছিলাম, মায়ের বাসা গেন্ডারিয়াতে ভোট দিতে যাবো না। তবে চারদিকে উতসবমুখর অবস্থা দেখে এখন চলে এসেছি। জীবনের প্রথম ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে। ভালোই লাগছে।
ফরিদাবাদের জামিয়া ইমদাদুল উলুম মাদ্রাসা কেন্দ্রে ভোট দিয়ে এসে উচ্ছ্বসিত বেসরকারি ব্যাংকে কর্মরত আয়শা সিদ্দীকা বর্ষা। তিনি বলেন, এর আগে আমার ভোট কেউ আগেই দিয়ে ফেলেছিল। এবার তা হয়নি। নিজের ভোট দিতে পেরে খুশি আমি।
নর্দা থেকে গেন্ডারিয়াতে ভোট দিতে এসে খুশি আব্দুর রউফও। তার অনুভূতি, ভোট হলো গণতান্ত্রিক অধিকার। এর জন্য ছুটিও মিলেছে। আগে এই এলাকায় থাকার কারণে ভোটার হয়েছিলাম। পরিবর্তন করিনি। কষ্ট হলেও এখানে এসে ভোট দিতে পেরে ভালো লাগছে।
রাজধানীর গোলাপবাগ কেন্দ্রে ভোট দিতে এসে আল আমিন বললেন, যদিও এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেই। তারপরও ভোট দিতে এসেছি। প্রার্থী অনেকে আছে। হ্যাঁ-না ভোট আছে।
একই কেন্দ্রে ভোগান্তি ছাড়াই ভোট দিয়েছেন অনেকে। শারমিন শাহনাজ রিমি নামেক এক ভোটার পরিপাটি হয়ে ভোট দিতে পেরেছেন। ভোট দিয়ে এসে বলেছেন, আমি সহজেই ভোট দিতে পেরেছি। সমস্যা হয়নি।
বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তা জেসমিন জামান মাকে নিয়ে ভোট দিয়েছেন অভয় দাস লেনের শহীদ নবী স্কুলে। তার মতে, সেখানে সবকিছু ঠিকঠাক ছিল। ভোট দিয়ে তিনি বলেন, অন্যদের মতো আমিও ঠিকমতো ভোট দিয়েছি। দেশের স্বার্থে, গণতন্ত্রের স্বার্থে।
রিপোর্টারের নাম 
























