ঢাকা ০২:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬

বাঁশখালীর উপকূলজুড়ে ঘূর্ণিঝড় আতঙ্ক: ৩৫ বছরেও হয়নি স্থায়ী বেড়িবাঁধ

চট্টগ্রামের বাঁশখালীর উপকূলীয় এলাকায় দীর্ঘ ৩৫ বছরেও টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মিত না হওয়ায় ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন প্রায় তিন লক্ষাধিক মানুষ। ১৯৯১ সালের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ে বিধ্বস্ত হওয়ার পর থেকেই এলাকাটি অরক্ষিত হয়ে পড়ে। বর্তমানে উপকূলের ছনুয়া, বড়ঘোনা, গন্ডামারা, সরল ও বাহারছড়াসহ বিভিন্ন অংশে বিদ্যমান বেড়িবাঁধে মারাত্মক ফাটল দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকার কয়েকশ কোটি টাকা বরাদ্দ দিলেও কাজের নিম্নমান ও অব্যবস্থাপনার কারণে উপকূলবাসীর কোনো সুরাহা হয়নি। প্রতি বর্ষায় জোয়ারের পানি লোকালয়ে ঢুকে ফসলি জমি ও ঘরবাড়ির ব্যাপক ক্ষতি করে। ভুক্তভোগী এলাকাবাসী অবিলম্বে আধুনিক ও টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাঁশখালীর উপকূলজুড়ে ঘূর্ণিঝড় আতঙ্ক: ৩৫ বছরেও হয়নি স্থায়ী বেড়িবাঁধ

বাঁশখালীর উপকূলজুড়ে ঘূর্ণিঝড় আতঙ্ক: ৩৫ বছরেও হয়নি স্থায়ী বেড়িবাঁধ

আপডেট সময় : ০২:৩৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

চট্টগ্রামের বাঁশখালীর উপকূলীয় এলাকায় দীর্ঘ ৩৫ বছরেও টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মিত না হওয়ায় ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন প্রায় তিন লক্ষাধিক মানুষ। ১৯৯১ সালের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ে বিধ্বস্ত হওয়ার পর থেকেই এলাকাটি অরক্ষিত হয়ে পড়ে। বর্তমানে উপকূলের ছনুয়া, বড়ঘোনা, গন্ডামারা, সরল ও বাহারছড়াসহ বিভিন্ন অংশে বিদ্যমান বেড়িবাঁধে মারাত্মক ফাটল দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকার কয়েকশ কোটি টাকা বরাদ্দ দিলেও কাজের নিম্নমান ও অব্যবস্থাপনার কারণে উপকূলবাসীর কোনো সুরাহা হয়নি। প্রতি বর্ষায় জোয়ারের পানি লোকালয়ে ঢুকে ফসলি জমি ও ঘরবাড়ির ব্যাপক ক্ষতি করে। ভুক্তভোগী এলাকাবাসী অবিলম্বে আধুনিক ও টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।