ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারা দেশের মধ্যে অন্যতম আলোচিত আসন ঢাকা-১৭। কারণ, এই আসনে নির্বাচন করছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ফলে দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমের বিশেষ নজর এখন এই আসন ঘিরে।
ইতোমধ্যে আসনটির বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রের সামনে কয়েকশ’ সাংবাদিক অবস্থান নিয়েছেন। বিশেষ করে গুলশান মডেল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রের চিত্র একেবারেই ভিন্ন। সেখানে জাতীয় প্রায় সব গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি রেকর্ডসংখ্যক বিদেশি সাংবাদিক উপস্থিত রয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ভারত ও পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের সাংবাদিকরা দায়িত্ব পালন করছেন এবং সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সরাসরি সম্প্রচার করছেন। অনেক বিদেশি গণমাধ্যম তাদের লাইভ প্রতিবেদনে বারবার এই আসনটিকে তারেক রহমানের আসন হিসেবে উল্লেখ করছে।
বিপুলসংখ্যক সাংবাদিকের উপস্থিতি বিবেচনায় বিএনপির মিডিয়া সেলের পক্ষ থেকে আলাদা বুথ স্থাপন করা হয়েছে। সেখানে দেশি ও বিদেশি সাংবাদিকদের জন্য পৃথক ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
এদিকে সকাল থেকেই গুলশান মডেল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোটারদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। ভোটারদের দীর্ঘ লাইন কেন্দ্র থেকে সামনের সড়ক পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। এই কেন্দ্রেই ভোট দেবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তাদের ভোটগ্রহণ ঘিরে কেন্দ্রটিতে নিরাপত্তা জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা-১৭ আসনটি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ১৫, ১৮, ১৯ ও ২০ নম্বর ওয়ার্ড এবং ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট থানার ক্যান্টনমেন্ট এলাকা নিয়ে গঠিত। মূলত গুলশান, বনানী, নিকেতন, মহাখালী, কড়াইল বস্তি, বারিধারা, শাহজাদপুর, কালাচাঁদপুর, ভাষানটেক, মাটিকাটা এবং ঢাকা সেনানিবাসের একাংশ নিয়ে এই আসনটি গঠিত।
শুরুর দিকে এই আসনে ১২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকলেও তারেক রহমানকে সমর্থন জানিয়ে পাঁচজন প্রার্থী সরে দাঁড়িয়েছেন। বর্তমানে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন সাতজন। তবে স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মূল লড়াইটি হতে পারে তারেক রহমানের ‘ধানের শীষ’ প্রতীক এবং জামায়াতের প্রার্থী ডা. খালিদুজ্জামানের ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের মধ্যে।
এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৭৭৭। এর মধ্যে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭০৯ জন পুরুষ, ১ লাখ ৫৯ হাজার ৬০ জন নারী এবং ৮ জন হিজড়া ভোটার রয়েছেন। এছাড়াও এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আছেন জাতীয় পার্টি-জেপির তপু রায়হান, জাতীয় পার্টির আতিক আহমেদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ উল্যাহ, বাংলাদেশ লেবার পার্টির মুহাম্মদ রাশেদুল হক এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আনিসুজ্জামান খোক।
রিপোর্টারের নাম 























