ভোট দিতে পেরে খুশি হলেও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেশি প্রার্থী থাকায় বড় ব্যালট ভাঁজ করতে গিয়ে বিড়ম্বনার কথা জানিয়েছেন ভোটাররা।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর পল্টনের আনন্দ ভ্রমণ কমিউনিটি সেন্টার কেন্দ্রে ভোট দিতে এসে তারা এ অভিজ্ঞতার কথা জানান বেশিরভাগ ভোটার।
বেসরকারি চাকরিজীবী আবেশের মোহাম্মদ জাফরউল্লাহ বলেন, “অনেক দিন পর যাকে খুশি তাকে ভোট দিতে পেরেছি। আলহামদুলিল্লাহ। আওয়ামী লীগের সময় ভোট দিতে পারিনি। তখন কেন্দ্রে গিয়ে বলা হয়েছিল, আপনার ভোট হয়ে গেছে, চুপচাপ চলে যান। সেবার ভোট না দিয়ে ফিরে আসতে হয়েছিল।”
হুইলচেয়ারে করে ভোট দিতে আসা জাফরউল্লাহ ব্যালট ভাঁজের জটিলতার বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, “অনেককে ব্যালট ভাঁজ করতে গিয়ে সমস্যায় পড়তে দেখেছি। কয়েকজনকে শিখিয়েও দিয়েছি। আমার মনে হয়, ব্যালট ভাঁজের বিষয়ে সরকারের প্রচার-প্রচারণা কম ছিল। প্রার্থীরাও এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে পারতেন।”
একই কেন্দ্রের আরেক ভোটার আব্দুস সাত্তার বলেন, “ব্যালট অনেক বড়। কীভাবে ভাঁজ করতে হবে তা নিয়ে বিভ্রান্তিতে ছিলাম। পরে একজনের সহায়তায় ভাঁজ করতে পেরেছি। অনেকেই এমন সমস্যায় পড়েছেন।”
সাইফুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, “কেন্দ্রে স্থান সঙ্কুলান কম হওয়ায় কিছুটা অসুবিধা হচ্ছে। তবে ভোট সুষ্ঠুভাবে হচ্ছে। মার্কা বেশি থাকায় ব্যালট বড় হয়েছে, তাই ভাঁজ করতে ঝামেলা হচ্ছে।”
কেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর এজেন্ট মাইমা আক্তার নিঝুম বলেন, “কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। আমরা ভোটারদের ব্যালট ভাঁজ করতে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছি।”
শাপলা কলি প্রতীকের চিফ এজেন্ট মাসুদুর রহমান বলেন, “কোনও চাপ নেই। প্রশাসন সবাইকে সমানভাবে সহযোগিতা করছে। অনেকে ব্যালট ভাঁজ করতে সমস্যায় পড়ছেন, আমরা সহযোগিতা করছি।”
রিপোর্টারের নাম 























