ওয়াইডব্লিউসিএ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন ঢাকা-১০ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শেখ রবিউল আলম। প্রশাসনের ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন, প্রশাসন অত্যন্ত নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা-১০ আসনের আওতাভুক্ত রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকার ওয়াইডব্লিউসিএ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিয়ে বেরিয়ে তিনি অপেক্ষমাণ সাংবাদিকদের বলেন, নির্বাচনি এলাকায় পরিচ্ছন্ন ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে। সব দলের এজেন্ট, প্রার্থী ও নেতাকর্মীরা শৃঙ্খলা বজায় রেখে আচরণবিধি মেনে চলছেন। ভোট কাস্টিংয়ের ক্ষেত্রে ভোটাররা সুন্দরভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে অবাধে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারছেন।
প্রশাসনের ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন, প্রশাসন অত্যন্ত তৎপর ও নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ও সহাবস্থান বজায় রাখতে সফল হয়েছে।
তিনি জানান, নির্বাচনি এলাকায় বড় কোনও অপ্রীতিকর ঘটনার আশঙ্কা নেই। তবে শুরুতে কিছু কেন্দ্রে পোলিং এজেন্টদের অজ্ঞতার কারণে প্রবেশে দেরি হওয়া কিংবা কোনও কোনও প্রিসাইডিং অফিসারের দ্বিধার কারণে ভোটগ্রহণ কার্যক্রম কিছুটা ধীরগতিতে শুরু হয়েছিল। এগুলোকে তিনি ছোটখাটো ত্রুটি হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, বর্তমানে সব কেন্দ্রেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে এবং সুষ্ঠুভাবে ভোট প্রক্রিয়া চলছে।
গত রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কিছু ঘটনার প্রসঙ্গে শেখ রবিউল আলম বলেন, রাতে কিছু লোক দলবদ্ধ হয়ে কয়েকটি কেন্দ্রে প্রবেশের চেষ্টা করেছিল। বিশেষ করে জামায়াতের প্রার্থীর সমর্থকদের একটি দল কেন্দ্রে প্রবেশের চেষ্টা করে। তবে তিনি বিষয়টিকে নেতিবাচকভাবে দেখছেন না। বরং এটি তাদের অজ্ঞতার ফল হতে পারে বলে মন্তব্য করেন।
এই প্রার্থীর দাবি, তারা কেন্দ্র দখল, নিয়ন্ত্রণ বা কর্মকর্তাদের হুমকি দেওয়ার মতো কোনও অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল না। তিনি মনে করেন, ত্রুটি খোঁজার পরিবর্তে একটি ভালো নির্বাচনি পরিবেশ বজায় রাখার দিকেই সবার মনোযোগ দেওয়া উচিত।
নিজের রাজনৈতিক জীবন সম্পর্কে তিনি জানান, এই এলাকায় তিনি দীর্ঘ ৩৩ বছর ধরে রাজনীতি করছেন এবং সব সময় মানুষের পাশে থেকেছেন। সুখে-দুঃখে এলাকার জনগণের সঙ্গে থাকার কারণে তিনি তাদের ভালোবাসা ও আস্থা অর্জন করেছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, সেই আস্থার ভিত্তিতেই ভোটাররা তাকে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ দিতে চান।
ঢাকা-১০ আসনের ভোটের সার্বিক পরিবেশকে ইতিবাচক উল্লেখ করে শেখ রবিউল আলম বলেন, সব দল ও প্রার্থী সমান সুযোগ পাচ্ছেন। ভোটাররা যে রায় দেবেন, তা সবাইকে মেনে নিতে হবে। নির্বাচন যদি বৈধ, সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়, তাহলে তিনি জনগণের রায় শিরোধার্য করে তা মেনে নিতে প্রস্তুত। জনগণের রায়কে সম্মান করেই রাজনীতি করা উচিত বলে তিনি দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করেন।
রিপোর্টারের নাম 

























