যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান শান্তি আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। এই প্রচেষ্টার কেন্দ্রে থেকে তিনি নিজেকে পাকিস্তানের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। উভয় দেশই তাকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে গ্রহণ করেছে এবং আসন্ন যুদ্ধবিরতি বাড়ানো হবে কিনা, তা নিয়ে তারা এখন বিবেচনা করছে।
সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে তিনি পাকিস্তান সফরে যেতে পারেন। তিনি ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে বলেন, ‘তারা আমাকে চায়।’ অন্যদিকে, ইরানের গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেনাপ্রধান আসিম মুনির তেহরানে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রেসিডেন্ট এবং পার্লামেন্ট স্পিকারের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
গত সপ্তাহে ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত শান্তি আলোচনায়ও সেনাপ্রধান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। যদিও সেই আলোচনা কোনো চূড়ান্ত চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়েছিল, উভয় পক্ষই এখন দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনা করছে। সেনাপ্রধান আসিম মুনির উভয় পক্ষের কাছ থেকেই ব্যক্তিগত আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট তাকে ‘প্রিয় ফিল্ড মার্শাল’ হিসেবে অভিহিত করেছেন, এবং ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীও তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছেন।
পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক স্থাপন করেছে। পাশাপাশি, সৌদি আরব ও চীনের সঙ্গে তাদের সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে যুদ্ধরত পক্ষগুলোর মধ্যে যোগাযোগের একটি প্রধান মাধ্যম হিসেবে কাজ করতে সক্ষম হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে পাকিস্তানের ক্রমবর্ধমান ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক দেশটির আন্তর্জাতিক মর্যাদা বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 



















