নির্বাচনকালীন সময়ে নগদ অর্থ বহনের সীমা নিয়ে জনমনে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তি নিরসনে সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাধারণ সময়ে নগদ টাকা বহনের ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট সীমাবদ্ধতা না থাকলেও নির্বাচনের বিশেষ পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) যেকোনো নির্দেশনা বা বিধিনিষেধই চূড়ান্ত হিসেবে গণ্য হবে।
সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থসহ রাজনৈতিক ব্যক্তিদের আটকের ঘটনায় বিষয়টি আলোচনায় আসে। নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ৭৪ লাখ টাকাসহ ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির এবং লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে বিএনপি প্রার্থীর নির্বাচনি গাড়ি থেকে ১৫ লাখ টাকা উদ্ধারের খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া দেশের আরও বেশ কিছু জায়গায় বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ জব্দের ঘটনা ঘটেছে।
এমন পরিস্থিতিতে একটি সংবাদমাধ্যমে নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদকে উদ্ধৃত করে দাবি করা হয় যে, অর্থের বৈধ উৎস দেখাতে পারলে ৫ কোটি টাকা বহন করলেও কোনো আইনি বাধা নেই। তবে বুধবার সন্ধ্যায় এক জরুরি ব্রিফিংয়ে ইসি সচিব এই তথ্য নাকচ করে দেন। তিনি স্পষ্ট জানান, এ ধরনের কোনো মন্তব্য করার এখতিয়ার তার নেই এবং তিনি এমন কোনো বক্তব্য দেননি।
টাকা বহনের এই ধোঁয়াশা কাটাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অবস্থান পরিষ্কার করেন। তিনি জানান, বিদ্যমান নিয়মে নগদ অর্থ বহনের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কোনো নির্দিষ্ট সীমারেখা নেই। তবে দেশের নির্বাচনকালীন বিশেষ পরিস্থিতিতে যদি নির্বাচন কমিশন কোনো সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা জারি করে, তবে তা অবশ্যই পালনীয় হবে। মূলত স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং নির্বাচনি আচরণবিধি বজায় রাখতে ইসির যেকোনো বিশেষ আদেশ সাধারণ নিয়মের ঊর্ধ্বে কার্যকর থাকবে।
রিপোর্টারের নাম 























