জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটের সময় নগদ অর্থ বহনের ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট সীমা আরোপ করা হয়নি বলে স্পষ্ট জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে, অর্থ ব্যবহারের বৈধতা এবং উৎসের প্রমাণ দেখাতে পারলেই কেবল এই সুবিধা পাওয়া যাবে। নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব মো. আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, অর্থের উৎস যদি আইনসম্মত হয় এবং তা প্রমাণ করা যায়, তাহলে ব্যক্তিগত প্রয়োজনে ৫০ লাখ এমনকি ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত বহন করা সম্ভব।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দেশের একটি গণমাধ্যমের সাথে আলাপকালে ইসি সচিব এ কথা জানান। তার এই বক্তব্য আসে ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির বেলাল উদ্দিন প্রধানকে সৈয়দপুর বিমানবন্দর এলাকা থেকে ৫০ লাখ নগদ টাকাসহ আটকের ঘটনার প্রেক্ষিতে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভোটের সময়ে একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ কত টাকা সঙ্গে রাখতে পারবেন, তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দেয়।
সিনিয়র সচিব মো. আখতার আহমেদ এই প্রশ্নের উত্তরে বলেন, “যদি অর্থের উৎস বৈধ হয় এবং তা যথাযথভাবে উপস্থাপন করা যায়, তবে বহনের ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট অঙ্ক নির্ধারিত নেই। ব্যক্তিগত প্রয়োজন মেটানোর জন্য যে কেউ তার সামর্থ্য অনুযায়ী অর্থ বহন করতে পারেন।”
তবে, তিনি এ বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতাও উচ্চারণ করেন। তিনি বলেন, “যদি এই বহনকৃত অর্থ নির্বাচনের ফলাফলকে প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়, তবে বিষয়টি ‘নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি’ খতিয়ে দেখবে। অন্যদিকে, যদি অর্থের উৎস অবৈধ প্রমাণিত হয়, তাহলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।” এই নির্দেশনা নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
—
রিপোর্টারের নাম 























