বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাহমুদুর রহমান বলেছেন, দেশের জনগণ দীর্ঘকাল ধরে প্রকৃত ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত। এবারের নির্বাচন সেই অধিকার পুনরুদ্ধারের এক ঐতিহাসিক সুযোগ। তিনি আওয়ামী লীগকে সহিংসতা ও ফ্যাসিবাদের প্রতীক আখ্যা দিয়ে তাদের প্রত্যাখ্যানের আহ্বান জানানোর পাশাপাশি ‘জুলাই বিপ্লব’কে অর্থবহ করতে ভোটাধিকার নিশ্চিতের ওপর জোর দিয়েছেন। নির্বাচনের পর ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধ, সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।
মাহমুদুর রহমান তার মন্তব্যে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, ভোটাধিকারের গুরুত্ব এবং জাতীয় ঐক্যের প্রয়োজনীয়তার ওপর আলোকপাত করেন। তিনি দাবি করেন, ২০০৮ সালের পর থেকে দেশের মানুষ তাদের প্রকৃত ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি এবং এই বঞ্চনা দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে চলে আসছে। বর্তমান নির্বাচনকে তিনি এই হারানো ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের একটি অনন্য সুযোগ হিসেবে দেখছেন।
আওয়ামী লীগকে ফ্যাসিবাদী ও সহিংস রাজনীতির ধারক হিসেবে উল্লেখ করে মাহমুদুর রহমান জনগণের প্রতি তাদের প্রত্যাখ্যান করার আহ্বান জানান। তার মতে, একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা নিশ্চিত করতে এই ধরনের শক্তিকে ক্ষমতা থেকে দূরে রাখা অপরিহার্য। তিনি এবারের নির্বাচনকে একটি গণভোটের সঙ্গে তুলনা করে বলেন, এতে ‘হ্যাঁ’ ভোট প্রদানের মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র রক্ষা করা সম্ভব হবে। তার এই মন্তব্য ‘জুলাই বিপ্লব’কে সম্মান জানানোর এবং এর মূল চেতনাকে সমুন্নত রাখার একটি প্রচেষ্টা হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।
নির্বাচনের সার্বিক পরিবেশ তুলনামূলক শান্ত থাকায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। তবে, নির্বাচনের ফলাফল যাই হোক না কেন, পরবর্তীকালে দেশের সামগ্রিক কল্যাণের জন্য একটি বৃহত্তর ঐক্যের ডাক দিয়েছেন তিনি। মাহমুদুর রহমান বলেন, ফ্যাসিবাদকে রুখে দাঁড়াতে, দেশের সার্বভৌমত্বকে অক্ষুণ্ণ রাখতে এবং সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে সরকার ও বিরোধী দল নির্বিশেষে সকল পক্ষকে এক ছাতার তলে আসতে হবে। এই জাতীয় ঐক্যই পারে দেশকে একটি টেকসই ও গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে।
রিপোর্টারের নাম 





















