ঢাকা ০৯:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

আপনার ভোট অন্য কেউ দিলে কী করবেন

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২১:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

কোনো ভোটার ভোটকেন্দ্রে গিয়ে যদি দেখেন তার ভোট অন্য কেউ দিয়ে গেছেন, তখন তার করণীয় কী? জাল ভোটের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তির ভোট অন্য কেউ আগেই দিয়েছেন। এসব ক্ষেত্রে ওই ভোটার ভোট না দিয়ে ফিরে আসেন। এমন দৃশ্য সচরাচর দেখা যায়। তবে নির্বাচনি আইন অনুযায়ী (আরপিও) বিকল্প পদ্ধতিতে ওই ভোটারের ভোট দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। কোনো ভোটার যদি প্রমাণ করতে সক্ষম হন তিনি ভোট দেননি। তার নামে যে ব্যক্তি ভোট দিয়ে গেছেন, ওই ব্যক্তি তিনি নন। তাহলে তিনি ভোটদানের জন্য প্রিসাইডিং অফিসারের কাছে ব্যালট পেপার দাবি করতে পারবেন।

এক্ষেত্রে প্রিসাইডিং অফিসার তার নামে ব্যালট ইস্যু করবেন। তবে ওই ভোটার ভোট দিলেও তা ব্যালট বক্সে ফেলা হবে না। ওই ব্যালট আলাদা খামে করে রাখা হবে এবং ওই ভোট গণনার আওতায় আসবে না। আইনের ভাষায় এই ভোটটিকে বলা হয় ‘টেন্ডার্ড ভোট’। বাংলাদেশের নির্বাচনি আইনে এই ভোটের বিধান থাকলেও এ সম্পর্কে ভোটারদের যেমন খুব একটা ধারণা নেই, তেমনি এর প্রচলনও নেই। গণনার আওতায় না আসায় টেন্ডার্ড ভোটকে সান্ত্বনামূলক ভোটও বলা হয়।

ভোটার হিসেবে আপনার বিরুদ্ধে আপত্তি হলে করণীয়

টেন্ডার্ড ভোটের পাশাপাশি আরেকটি ক্ষেত্রে ভোটদানের সুযোগ রয়েছে। এক্ষেত্রে কোনো ভোটার ভোট দিতে গেলে পোলিং এজেন্ট যদি দাবি করেন যে, ইতঃপূর্বে এ নির্বাচনে ওই ব্যক্তি একই বা অন্য কোনো ভোটকেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন অথবা যে ব্যক্তির নামে ভোট দিতে চাচ্ছেন, তিনি সেই ব্যক্তি নন। এক্ষেত্রে ওই ব্যক্তি আদালতে অভিযোগ প্রমাণে অঙ্গীকার করে মুচলেকা হিসেবে নগদ ১০০ টাকা জমা দেবেন। তখন ওই ব্যক্তির অনুকূলে ব্যালট ইস্যু করবেন প্রিসাইডিং অফিসার। ওই ব্যক্তির নাম-ঠিকানা লিখে ‘আপত্তিকৃত ভোট তালিকা’ হিসেবে তা ব্যালট বাক্সে না ফেলে ‘আপত্তিকৃত ব্যালট পেপার’ (চ্যালেঞ্জড ব্যালট পেপারে) লেভেলযুক্ত একটি স্বতন্ত্র খামে রাখা হবে। অবশ্য ‘টেন্ডার্ড ভোট’ গণনার আওতায় না এলেও আপত্তিকৃত ভোট গণনার আওতায় আসবে। ফলে ওই ভোট কোনো প্রার্থীর জয়-পরাজয়ে ভূমিকা রাখতে পারে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এশীয় ফুটবলে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক অভিষেকের সামনে শক্তিশালী চীন

আপনার ভোট অন্য কেউ দিলে কী করবেন

আপডেট সময় : ১১:২১:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কোনো ভোটার ভোটকেন্দ্রে গিয়ে যদি দেখেন তার ভোট অন্য কেউ দিয়ে গেছেন, তখন তার করণীয় কী? জাল ভোটের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তির ভোট অন্য কেউ আগেই দিয়েছেন। এসব ক্ষেত্রে ওই ভোটার ভোট না দিয়ে ফিরে আসেন। এমন দৃশ্য সচরাচর দেখা যায়। তবে নির্বাচনি আইন অনুযায়ী (আরপিও) বিকল্প পদ্ধতিতে ওই ভোটারের ভোট দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। কোনো ভোটার যদি প্রমাণ করতে সক্ষম হন তিনি ভোট দেননি। তার নামে যে ব্যক্তি ভোট দিয়ে গেছেন, ওই ব্যক্তি তিনি নন। তাহলে তিনি ভোটদানের জন্য প্রিসাইডিং অফিসারের কাছে ব্যালট পেপার দাবি করতে পারবেন।

এক্ষেত্রে প্রিসাইডিং অফিসার তার নামে ব্যালট ইস্যু করবেন। তবে ওই ভোটার ভোট দিলেও তা ব্যালট বক্সে ফেলা হবে না। ওই ব্যালট আলাদা খামে করে রাখা হবে এবং ওই ভোট গণনার আওতায় আসবে না। আইনের ভাষায় এই ভোটটিকে বলা হয় ‘টেন্ডার্ড ভোট’। বাংলাদেশের নির্বাচনি আইনে এই ভোটের বিধান থাকলেও এ সম্পর্কে ভোটারদের যেমন খুব একটা ধারণা নেই, তেমনি এর প্রচলনও নেই। গণনার আওতায় না আসায় টেন্ডার্ড ভোটকে সান্ত্বনামূলক ভোটও বলা হয়।

ভোটার হিসেবে আপনার বিরুদ্ধে আপত্তি হলে করণীয়

টেন্ডার্ড ভোটের পাশাপাশি আরেকটি ক্ষেত্রে ভোটদানের সুযোগ রয়েছে। এক্ষেত্রে কোনো ভোটার ভোট দিতে গেলে পোলিং এজেন্ট যদি দাবি করেন যে, ইতঃপূর্বে এ নির্বাচনে ওই ব্যক্তি একই বা অন্য কোনো ভোটকেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন অথবা যে ব্যক্তির নামে ভোট দিতে চাচ্ছেন, তিনি সেই ব্যক্তি নন। এক্ষেত্রে ওই ব্যক্তি আদালতে অভিযোগ প্রমাণে অঙ্গীকার করে মুচলেকা হিসেবে নগদ ১০০ টাকা জমা দেবেন। তখন ওই ব্যক্তির অনুকূলে ব্যালট ইস্যু করবেন প্রিসাইডিং অফিসার। ওই ব্যক্তির নাম-ঠিকানা লিখে ‘আপত্তিকৃত ভোট তালিকা’ হিসেবে তা ব্যালট বাক্সে না ফেলে ‘আপত্তিকৃত ব্যালট পেপার’ (চ্যালেঞ্জড ব্যালট পেপারে) লেভেলযুক্ত একটি স্বতন্ত্র খামে রাখা হবে। অবশ্য ‘টেন্ডার্ড ভোট’ গণনার আওতায় না এলেও আপত্তিকৃত ভোট গণনার আওতায় আসবে। ফলে ওই ভোট কোনো প্রার্থীর জয়-পরাজয়ে ভূমিকা রাখতে পারে।