ফরিদপুরে এক মতবিনিময় সভায় অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এক সাংবাদিককে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। মঙ্গলবার দুপুরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে আসন্ন সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে একটি সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন। এ সময় একজন সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনের পর যদি তাকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়, তবে তিনি তা ওই সাংবাদিককেই দেবেন।
মতবিনিময় সভাটি ফরিদপুর অঞ্চলের পাঁচটি জেলার সরকারি কর্মকর্তাদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এতে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সার্বিক প্রস্তুতি পর্যালোচনা করা হয়। সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীকে সাংবাদিক হারুন আনসারী প্রশ্ন করেন, ‘আপনি বিগত দিনে খুব ভালো পারফরম্যান্স করেছেন। নির্বাচিত সরকার আসার পর যদি আপনাকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়, সে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন কি না?’
জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “ভালো পারফরমেন্স করলে তো আমার কুশপুত্তলিকা দাহ করা হতো না। নির্বাচনের পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলে সেটা আপনাকে (সাংবাদিক হারুন আনসারী) দিয়ে দেব।”
আসন্ন নির্বাচন প্রসঙ্গে উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী আরও বলেন, এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট নিয়ে কোনো ধরনের শঙ্কা নেই। শান্তিপূর্ণ, গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পুরোপুরি প্রস্তুত। ভোট কারচুপির কোনো শঙ্কা নেই জানিয়ে তিনি এই প্রক্রিয়ায় সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, “নির্বাচনটা খুব শান্তিপূর্ণভাবে, সুষ্ঠু এবং উৎসবমুখর পরিবেশে হবে। এটা একটা ক্রেডিবল ইলেকশন হবে।” বিদ্যমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, যে জায়গায় যে রকম ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন, সে ধরনের সুনির্দিষ্ট প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তাই সব কটি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে এবং কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় ড্রোনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এটি একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন হবে।
রিপোর্টারের নাম 























