বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আসন্ন নির্বাচনে কোনো ধরনের ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ বা কারচুপির সুযোগ থাকবে না। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাঁদের উপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করবেন এবং একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে তা রাষ্ট্র সংস্কারের পথ উন্মুক্ত করবে। মঙ্গলবার ঠাকুরগাঁওয়ে নিজ বাসভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপি মহাসচিব জানান, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাম্প্রতিক ঠাকুরগাঁও সফর রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। তিনি বলেন, গত ১৬ বছর ধরে দেশের গণতন্ত্র ও জনগণের ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারের জন্য বিএনপি আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে। এই নির্বাচনকে সামনে রেখে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হবে বলে তিনি আশাবাদী।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জোর দিয়ে বলেন, বিএনপি প্রতিটি নির্বাচনকেই অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখে এবং প্রতিপক্ষকে কখনোই দুর্বল মনে করে না। তিনি অভিযোগ করেন, জামায়াতে ইসলামী কৌশলগতভাবে বিভিন্ন ধরনের প্রচারণা চালাচ্ছে এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা সংবাদ ছড়ানোর চেষ্টা করছে। তবে বিএনপি ইতিবাচক ও গঠনমূলক রাজনীতিতে বিশ্বাসী।
ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘যাকে খুশি তাকেই ভোট দিন’—এটাই বিএনপির অবস্থান। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, প্রতিটি নাগরিক যেন ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নির্ভয়ে এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।
সংবাদ সম্মেলনে জেলা বিএনপি সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান পয়গাম আলী, সহসভাপতি ওবায়দুল্লাহ মাসুদসহ দলের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 
























