আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে কোনো মব বা জনসমাগমের চেষ্টা করা হলে শুধু সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের নয়, বরং ওই পুরো আসনের ভোট গ্রহণ স্থগিত করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মঙ্গলবার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পুলিশের মহাপাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম এই তথ্য জানিয়েছেন।
আইজিপি বাহারুল আলম দৃঢ়তার সঙ্গে জানান, নির্বাচন ঘিরে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে এবং কেউই এই নির্বাচন প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্ট্রাইকিং ফোর্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
তিনি বলেন, আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। কেন্দ্র, ভ্রাম্যমাণ (মোবাইল) ও স্ট্রাইকিং ফোর্স-এই তিনটি স্তরে মোট ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩ জন পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও আনসার সদস্যরাও নিরাপত্তা রক্ষায় নিয়োজিত থাকবেন।
আইজিপি আরও বলেন, গত নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ সদস্যদের বর্তমান নির্বাচনী দায়িত্ব থেকে দূরে রাখা হয়েছে, যা পুলিশের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, পুলিশ নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করে একটি সুষ্ঠু ও ভালো নির্বাচন উপহার দিতে সক্ষম হবে। এই নির্বাচনকে জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনার একটি সুযোগ হিসেবে দেখছে পুলিশ।
নির্বাচনী পরিবেশ সুষ্ঠু রাখতে এ পর্যন্ত ২৭ হাজার ৯৯৫টি বৈধ অস্ত্র জমা পড়েছে। ৯০ শতাংশ কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে বডি ওর্ন ক্যামেরা ও ড্রোন ব্যবহার করে নিবিড় নজরদারি চালানো হবে।
রিপোর্টারের নাম 





















