ঢাকা ০২:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

পটুয়াখালীতে গর্ভবতী নারীর পেটে লাথি: মহিলা জামায়াতের তীব্র নিন্দা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:০৯:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

পটুয়াখালীতে স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর এক ইউনিয়ন নেতাকে মারধর ও অপহরণ এবং তার গর্ভবতী স্ত্রীর পেটে লাথি মারার মতো বর্বরোচিত ঘটনার তীব্র নিন্দা ও গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগ। এই ন্যাক্কারজনক হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন সংগঠনের বিভাগীয় সেক্রেটারি অধ্যক্ষ নূরুন্নিসা সিদ্দীকা।

রোববার রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে অধ্যক্ষ নূরুন্নিসা সিদ্দীকা বলেন, পটুয়াখালীতে সংঘটিত এই হামলা মানবতা ও সভ্যতার ইতিহাসে এক জঘন্যতম কলঙ্ক। তিনি উল্লেখ করেন, স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর একজন দায়িত্বশীল ইউনিয়ন সেক্রেটারিকে নির্মমভাবে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার পর অপহরণ করা হয়েছে। একই সময়ে তার গর্ভবতী স্ত্রী, যিনি নিজেও চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়ন জামায়াতের মহিলা বিভাগের দায়িত্বশীল, তার পেটে লাথি মারা হয়েছে।

অধ্যক্ষ নূরুন্নিসা সিদ্দীকা আরও বলেন, একজন গর্ভবতী নারীর ওপর এমন পাশবিক আক্রমণ প্রমাণ করে যে হামলাকারীরা রাজনৈতিক শিষ্টাচার তো দূরের কথা, ন্যূনতম মানবিক মূল্যবোধও হারিয়ে ফেলেছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, নারীর মর্যাদা, মাতৃত্বের সম্মান এবং অনাগত সন্তানের নিরাপত্তা—সবকিছুকে পদদলিত করে চালানো এই সহিংসতা কোনোভাবেই ক্ষমার যোগ্য নয়। তিনি অবিলম্বে হামলাকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির দাবি জানান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ইরানের

পটুয়াখালীতে গর্ভবতী নারীর পেটে লাথি: মহিলা জামায়াতের তীব্র নিন্দা

আপডেট সময় : ০৩:০৯:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পটুয়াখালীতে স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর এক ইউনিয়ন নেতাকে মারধর ও অপহরণ এবং তার গর্ভবতী স্ত্রীর পেটে লাথি মারার মতো বর্বরোচিত ঘটনার তীব্র নিন্দা ও গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগ। এই ন্যাক্কারজনক হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন সংগঠনের বিভাগীয় সেক্রেটারি অধ্যক্ষ নূরুন্নিসা সিদ্দীকা।

রোববার রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে অধ্যক্ষ নূরুন্নিসা সিদ্দীকা বলেন, পটুয়াখালীতে সংঘটিত এই হামলা মানবতা ও সভ্যতার ইতিহাসে এক জঘন্যতম কলঙ্ক। তিনি উল্লেখ করেন, স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর একজন দায়িত্বশীল ইউনিয়ন সেক্রেটারিকে নির্মমভাবে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার পর অপহরণ করা হয়েছে। একই সময়ে তার গর্ভবতী স্ত্রী, যিনি নিজেও চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়ন জামায়াতের মহিলা বিভাগের দায়িত্বশীল, তার পেটে লাথি মারা হয়েছে।

অধ্যক্ষ নূরুন্নিসা সিদ্দীকা আরও বলেন, একজন গর্ভবতী নারীর ওপর এমন পাশবিক আক্রমণ প্রমাণ করে যে হামলাকারীরা রাজনৈতিক শিষ্টাচার তো দূরের কথা, ন্যূনতম মানবিক মূল্যবোধও হারিয়ে ফেলেছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, নারীর মর্যাদা, মাতৃত্বের সম্মান এবং অনাগত সন্তানের নিরাপত্তা—সবকিছুকে পদদলিত করে চালানো এই সহিংসতা কোনোভাবেই ক্ষমার যোগ্য নয়। তিনি অবিলম্বে হামলাকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির দাবি জানান।