ঢাকা-৮ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস অভিযোগ করেছেন যে, তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে দিয়ে তাকে উসকানি দেওয়া হচ্ছে এবং সামগ্রিকভাবে নির্বাচন বানচাল ও ফলাফল পরিবর্তনের চেষ্টা চলছে। রোববার রাজধানীর আরামবাগে গণসংযোগকালে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এই মন্তব্য করেন। একইসঙ্গে তিনি নির্বাচন পর্যন্ত ধৈর্য ধরে থাকার জন্য সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।
মির্জা আব্বাস বলেন, “আল্লাহ আমার ধৈর্যের পরীক্ষা নিচ্ছেন। আমি যেন নির্বাচনের দিন, ১২ তারিখ পর্যন্ত ধৈর্য ধরে থাকতে পারি, এই দোয়া চাই।” তিনি আরও যোগ করেন, এমন একটি পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে, যাতে তিনি অশান্তিতে থাকেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী এমন কিছু অশালীন মন্তব্য করছেন, যা এখানে সংঘাত সৃষ্টির উদ্দেশ্যে করা হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, “তারা নির্বাচনে একটি পরিস্থিতি সৃষ্টির অনেক চেষ্টা করছে।”
বিএনপির এই নেতা অভিযোগ করেন, কয়েকটি দল পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন বানচালের জন্য কাজ করছে এবং ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের’ মাধ্যমে ভোটের ফল পরিবর্তনের চেষ্টা করা হতে পারে। তার দাবি, ক্ষমতায় থাকা তাদের সমর্থিত দল নিজেদের কৃতকর্মের দায়ভার অন্য দলের ওপর চাপিয়ে দিচ্ছে।
মির্জা আব্বাস প্রশ্ন তোলেন, যাদের দেশ পরিচালনার কোনো অভিজ্ঞতা নেই, তারা কীভাবে ১২ তারিখের পর ‘দেখে নেওয়ার’ হুমকি দেন। তার মতে, সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে তাদের লোক বসানো আছে বলেই তারা এই সাহস পেয়েছে; যারা প্রয়োজন অনুযায়ী তাদের ইচ্ছামতো নির্বাচনের ফল ম্যানিপুলেট করার কাজ করবে।
এদিন মির্জা আব্বাস আরামবাগ থেকে শুরু করে ফকিরাপুল এলাকায় গণসংযোগ করেন। বিকেলে তিনি কমলাপুর কালভার্ট রোড থেকে বাবে রহমত উটখামার পর্যন্ত নির্বাচনি প্রচার চালান। সন্ধ্যায় সিদ্ধেশ্বরী কলেজের আশপাশে গণসংযোগ শেষে রাতে বঙ্গভবন স্টাফ কোয়ার্টারে প্রচার চালানোর কথা ছিল তার।
রিপোর্টারের নাম 
























