ঢাকা ১১:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬

শুদ্ধাচার ও আধুনিকায়নের প্রত্যয়ে গ্রামীণ ব্যাংকের ৬৭তম যোনাল ম্যানেজার সম্মেলন সম্পন্ন

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১৪:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

‘শুদ্ধাচার পরিপালন করি, সুন্দর কর্মপরিবেশ গড়ি’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গ্রামীণ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে দুই দিনব্যাপী ৬৭তম যোনাল ম্যানেজার ও যোনাল অডিট অফিসার সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার শুরু হওয়া এই সম্মেলনে দেশের ৪০টি যোনের শীর্ষ কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন, যেখানে ব্যাংকের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা ও গ্রাহকসেবার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।

সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গ্রামীণ ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবদুল হান্নান চৌধুরী। তিনি তাঁর বক্তব্যে প্রান্তিক পর্যায়ে গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যাপকতা এবং সাধারণ মানুষের গভীর আস্থার কথা উল্লেখ করেন। ড. হান্নান বলেন, “নারীর ক্ষমতায়নকে সমুন্নত রেখে এবং সময়ের চাহিদাকে গুরুত্ব দিয়ে আমাদের আধুনিক পরিকল্পনার মাধ্যমে এগিয়ে যেতে হবে। প্রতিষ্ঠানের প্রতি জনমানুষের যে বিশ্বাস রয়েছে, তা বজায় রেখে অগ্রগতির ধারা নিশ্চিত করা আমাদের প্রধান লক্ষ্য।”

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ব্যাংকের পরিচালক নাজনীন সুলতানা নতুন প্রজন্মের জন্য সুযোগ সৃষ্টি এবং কর্মপরিবেশের প্রতিটি স্তরে নারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও অগ্রযাত্রায় সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

ব্যবস্থাপনা পরিচালক সরদার আকতার হামিদ তাঁর বক্তব্যে গ্রামীণ ব্যাংকের দীর্ঘ পথচলার সাফল্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বিগত ৫০ বছর ধরে এই ব্যাংক দারিদ্র্য বিমোচন, নারীর ক্ষমতায়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। নোবেল জয়ের ২০ বছর পূর্তির এই মাহেন্দ্রক্ষণে শুদ্ধাচার পরিপালন ও সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে গ্রাহকসেবাকে আরও আধুনিক স্তরে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

সম্মেলনে গোলটেবিল আলোচনায় দেশের বিভিন্ন যোনের কার্যক্রম, বাজেট বাস্তবায়ন এবং মাঠ পর্যায়ের চ্যালেঞ্জ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এ সময় উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (মানবসম্পদ ও সেবা ব্যবস্থাপনা) সৈয়দ মতিয়র রহমান সম্মেলন থেকে নেওয়া সিদ্ধান্তগুলো তৃণমূল পর্যায়ে যথাযথভাবে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অন্যতম উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (শাখা পরিচালনা ও পর্যবেক্ষণ) একেএম সাজ্জাদ হোসেন প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে ব্যাংকিং কার্যক্রমকে আরও আধুনিক ও গতিশীল করার লক্ষ্যে গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।

সম্মেলনে গ্রামীণ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সকল নির্বাহীসহ যোনাল ম্যানেজার ও যোনাল অডিট অফিসারগণ উপস্থিত ছিলেন। দুই দিনের এই সম্মেলনে ব্যাংকের সামগ্রিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করে একটি কার্যকর ও টেকসই ভবিষ্যৎ রূপরেখা প্রণয়ন করা হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শুদ্ধাচার ও আধুনিকায়নের প্রত্যয়ে গ্রামীণ ব্যাংকের ৬৭তম যোনাল ম্যানেজার সম্মেলন সম্পন্ন

আপডেট সময় : ০৫:১৪:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

‘শুদ্ধাচার পরিপালন করি, সুন্দর কর্মপরিবেশ গড়ি’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গ্রামীণ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে দুই দিনব্যাপী ৬৭তম যোনাল ম্যানেজার ও যোনাল অডিট অফিসার সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার শুরু হওয়া এই সম্মেলনে দেশের ৪০টি যোনের শীর্ষ কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন, যেখানে ব্যাংকের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা ও গ্রাহকসেবার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।

সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গ্রামীণ ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবদুল হান্নান চৌধুরী। তিনি তাঁর বক্তব্যে প্রান্তিক পর্যায়ে গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যাপকতা এবং সাধারণ মানুষের গভীর আস্থার কথা উল্লেখ করেন। ড. হান্নান বলেন, “নারীর ক্ষমতায়নকে সমুন্নত রেখে এবং সময়ের চাহিদাকে গুরুত্ব দিয়ে আমাদের আধুনিক পরিকল্পনার মাধ্যমে এগিয়ে যেতে হবে। প্রতিষ্ঠানের প্রতি জনমানুষের যে বিশ্বাস রয়েছে, তা বজায় রেখে অগ্রগতির ধারা নিশ্চিত করা আমাদের প্রধান লক্ষ্য।”

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ব্যাংকের পরিচালক নাজনীন সুলতানা নতুন প্রজন্মের জন্য সুযোগ সৃষ্টি এবং কর্মপরিবেশের প্রতিটি স্তরে নারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও অগ্রযাত্রায় সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

ব্যবস্থাপনা পরিচালক সরদার আকতার হামিদ তাঁর বক্তব্যে গ্রামীণ ব্যাংকের দীর্ঘ পথচলার সাফল্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বিগত ৫০ বছর ধরে এই ব্যাংক দারিদ্র্য বিমোচন, নারীর ক্ষমতায়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। নোবেল জয়ের ২০ বছর পূর্তির এই মাহেন্দ্রক্ষণে শুদ্ধাচার পরিপালন ও সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে গ্রাহকসেবাকে আরও আধুনিক স্তরে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

সম্মেলনে গোলটেবিল আলোচনায় দেশের বিভিন্ন যোনের কার্যক্রম, বাজেট বাস্তবায়ন এবং মাঠ পর্যায়ের চ্যালেঞ্জ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এ সময় উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (মানবসম্পদ ও সেবা ব্যবস্থাপনা) সৈয়দ মতিয়র রহমান সম্মেলন থেকে নেওয়া সিদ্ধান্তগুলো তৃণমূল পর্যায়ে যথাযথভাবে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অন্যতম উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (শাখা পরিচালনা ও পর্যবেক্ষণ) একেএম সাজ্জাদ হোসেন প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে ব্যাংকিং কার্যক্রমকে আরও আধুনিক ও গতিশীল করার লক্ষ্যে গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।

সম্মেলনে গ্রামীণ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সকল নির্বাহীসহ যোনাল ম্যানেজার ও যোনাল অডিট অফিসারগণ উপস্থিত ছিলেন। দুই দিনের এই সম্মেলনে ব্যাংকের সামগ্রিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করে একটি কার্যকর ও টেকসই ভবিষ্যৎ রূপরেখা প্রণয়ন করা হয়।