নির্বাচন নিয়ে যেকোনো ধরনের অপতৎপরতা বা চক্রান্তের বিরুদ্ধে কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি সাফ জানিয়েছেন, জনগণের ভোটাধিকার ও নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র করা হলে তার দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে। শনিবার দুপুর ২টা ৭ মিনিটে নীলফামারীতে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল পরাজয়ের ভয়ে নির্বাচনকে ঘিরে নানামুখী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অশুভ তৎপরতা চালানো হলে তা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, আগামী দিনের রাজনীতির মূল লক্ষ্য হবে ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশ পুনর্গঠন করা এবং জনগণের অধিকার সুপ্রতিষ্ঠিত করা।
নীলফামারী অঞ্চলের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির লক্ষ্যে নিজের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, “আমরা নীলফামারী ইপিজেডকে আরও সম্প্রসারিত করব। এই জেলাকে একটি পূর্ণাঙ্গ শিল্প অঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলা আমাদের অগ্রাধিকার। এছাড়া যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়নে সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হবে।”
কৃষি ও অবকাঠামো উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তিস্তা ব্যারাজ নির্মাণের মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু করবে। এছাড়া নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির ব্যবস্থা করা হবে।
কৃষকদের কল্যাণে নতুন উদ্যোগের ঘোষণা দিয়ে তারেক রহমান বলেন, দেশে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও ‘কৃষি কার্ড’ প্রবর্তন করা হবে। এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা অতি সহজে ঋণ গ্রহণ, সার ও কীটনাশক সংগ্রহ করতে পারবেন। তিনি ঘোষণা করেন, ধানের শীষের প্রার্থী বিজয়ী হলে প্রান্তিক কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ করা হবে। পাশাপাশি রেজিস্টার্ড এনজিও থেকে নেওয়া কৃষকদের ঋণের বোঝা লাঘব করতে সরকার সেই ঋণ পরিশোধের দায়িত্ব নেবে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।
রিপোর্টারের নাম 

























