ঢাকা ০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

শরীয়তপুরে ১৭টি তাজা হাতবোমা উদ্ধার, এলাকায় চাঞ্চল্য

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২৩:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় বিপুল সংখ্যক তাজা হাতবোমা উদ্ধারের ঘটনা স্থানীয়দের মাঝে গভীর উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতার জন্ম দিয়েছে। শনিবার ভোররাতে বিলাসপুর ইউনিয়নের মুলাই বেপারীকান্দি এলাকার একটি জঙ্গলে অভিযান চালিয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর যৌথ বাহিনী এই বিস্ফোরকগুলো উদ্ধার করে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোরবেলা মুলাই বেপারী কান্দি এলাকার সিদম বেপারী নামের এক ব্যক্তির বাড়ির পেছনের জঙ্গলে কিছু সন্দেহজনক বস্তু দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। কাছে গিয়ে দুটি বালতিতে রাখা একাধিক হাতবোমা দেখতে পেয়ে তারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং দ্রুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে খবর দেন।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে তাৎক্ষণিক অভিযান চালায় যৌথ বাহিনী। এরপর জঙ্গল থেকে দুটি বালতিতে মোট ১৭টি তাজা হাতবোমা উদ্ধার করা হয়। যেকোনো ধরনের ঝুঁকি এড়াতে এলাকাটি ঘিরে ফেলা হয় এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। তবে অভিযান চলাকালে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এতগুলো হাতবোমা কী উদ্দেশ্যে সেখানে মজুত করা হয়েছিল, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, বড় ধরনের কোনো নাশকতার পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এই বিস্ফোরকগুলো সেখানে রাখা হয়েছিল।

জাজিরা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুস ছালাম জানান, খবর পাওয়ার পর যৌথ বাহিনীর অভিযানে ১৭টি হাতবোমা উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা যায়নি। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের শনাক্তে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত হাতবোমাগুলো কারা এবং কী উদ্দেশ্যে সেখানে রেখেছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এলাকাবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জাজিরা উপজেলায় নজরদারি ও টহল জোরদার করা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুদ্ধ অবসানে ইরানের দুই শর্ত: ক্ষতিপূরণ ও আগ্রাসন বন্ধের নিশ্চয়তা দাবি

শরীয়তপুরে ১৭টি তাজা হাতবোমা উদ্ধার, এলাকায় চাঞ্চল্য

আপডেট সময় : ০২:২৩:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় বিপুল সংখ্যক তাজা হাতবোমা উদ্ধারের ঘটনা স্থানীয়দের মাঝে গভীর উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতার জন্ম দিয়েছে। শনিবার ভোররাতে বিলাসপুর ইউনিয়নের মুলাই বেপারীকান্দি এলাকার একটি জঙ্গলে অভিযান চালিয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর যৌথ বাহিনী এই বিস্ফোরকগুলো উদ্ধার করে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোরবেলা মুলাই বেপারী কান্দি এলাকার সিদম বেপারী নামের এক ব্যক্তির বাড়ির পেছনের জঙ্গলে কিছু সন্দেহজনক বস্তু দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। কাছে গিয়ে দুটি বালতিতে রাখা একাধিক হাতবোমা দেখতে পেয়ে তারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং দ্রুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে খবর দেন।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে তাৎক্ষণিক অভিযান চালায় যৌথ বাহিনী। এরপর জঙ্গল থেকে দুটি বালতিতে মোট ১৭টি তাজা হাতবোমা উদ্ধার করা হয়। যেকোনো ধরনের ঝুঁকি এড়াতে এলাকাটি ঘিরে ফেলা হয় এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। তবে অভিযান চলাকালে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এতগুলো হাতবোমা কী উদ্দেশ্যে সেখানে মজুত করা হয়েছিল, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, বড় ধরনের কোনো নাশকতার পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এই বিস্ফোরকগুলো সেখানে রাখা হয়েছিল।

জাজিরা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুস ছালাম জানান, খবর পাওয়ার পর যৌথ বাহিনীর অভিযানে ১৭টি হাতবোমা উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা যায়নি। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের শনাক্তে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত হাতবোমাগুলো কারা এবং কী উদ্দেশ্যে সেখানে রেখেছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এলাকাবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জাজিরা উপজেলায় নজরদারি ও টহল জোরদার করা হয়েছে।