নোয়াখালী-৪ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এবং দলটির মজলিশে সূরা সদস্য ও জেলা আমির মো. ইসহাক খন্দকার বলেছেন, আসন্ন নির্বাচনে কেউ জাল ভোট দেওয়ার চেষ্টা করলে তা প্রতিহত করা হবে। তিনি বলেন, “আমরা কোনো প্রকার অনিয়মের আশ্রয় নেব না, তবে অন্য কেউ যদি নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটাতে চায়, তাহলে তা প্রতিহত করা হবে।”
শুক্রবার রাতে জেলা শহর মাইজদিতে জামায়াতের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। ইসহাক খন্দকার আরও অভিযোগ করেন যে, নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে তাদের নারী কর্মীদের নানাভাবে অপমানিত ও হেনস্থা করা হচ্ছে, যার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে ইসহাক খন্দকার বলেন, “সম্প্রতি একটি আইডি হ্যাকের ঘটনা ঘটেছে, যা গণমাধ্যমেও এসেছে। তবে, একটি বড় দলের শীর্ষ নেতা এই বিষয়টি নিয়ে অযথা ট্রল করছেন। তিনি চাইলে তার দলের অন্য নেতাদের দিয়েও এ বিষয়ে কথা বলাতে পারতেন। কিন্তু তিনি যেভাবে জামায়াত আমিরকে নিয়ে আক্রমণাত্মক মন্তব্য করেছেন, তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। এই ঘটনায় ইতিমধ্যে কয়েকজন গ্রেপ্তার হয়েছেন এবং তদন্ত চলছে।”
তিনি আরও বলেন, “আমাদের জামায়াত আমির নারীদের প্রতি অত্যন্ত বিনয়ী এবং তিনি এ ধরনের ভাষা ব্যবহার করতে পারেন না, এটা স্পষ্ট। কারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তা তদন্তে বেরিয়ে আসবে এবং তখন সবাই সত্যটা জানতে পারবেন।”
ইসহাক খন্দকার অভিযোগ করেন যে, প্রতিপক্ষ একটি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ এর নামে ভুয়া কার্ড বিতরণ করছে এবং এর জন্য সাধারণ মানুষের কাছ থেকে চাঁদাও আদায় করছে। তিনি এটিকে প্রতারণা আখ্যায়িত করে বলেন, “তারা কি কোনো সংস্থা নাকি সরকারের অংশ? এই ভুয়া কার্ডের মাধ্যমে তারা নারীদের মিথ্যা আশ্বাস দিচ্ছে। আমরা এই অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানাই।”
সংবাদ সম্মেলনে নোয়াখালী-৩ আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী এবং জামায়াতের মজলিশে সূরা সদস্য ও জেলা সেক্রেটারি মাওলানা মো. বোরহান উদ্দিন, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা সাইয়েদ আহমদ, প্রচার বিভাগের প্রধান ডা. বোরহান উদ্দিন, নোয়াখালী পৌর জামায়াতের আমির মো. ইউসূফ, জামায়াত নেতা আবু তাহের ও নেয়ামত উল্লাহ শাকের প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 
























