ঢাকা ০৪:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

ঢাকা-১৯ আসনে বিএনপির প্রার্থী শক্ত অবস্থানে, এনসিপির ভরসা জামায়াতের ভোটব্যাংক

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩৪:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৯ (সাভার-আশুলিয়া) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু পুরোদমে নির্বাচনী প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। ভোটারদের কাছ থেকেও তিনি ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন। অন্যদিকে, জামায়াতসহ ১১ দলীয় জোট মনোনীত ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) প্রার্থী দিলশানা পারুল জামায়াতে ইসলামীর ভোটব্যাংকের ওপর নির্ভর করছেন। তবে, জামায়াতের একটি বড় অংশ এখনো তাঁর পক্ষে মাঠে নামেনি, যা বিএনপির প্রার্থীকে সুবিধাজনক অবস্থানে রেখেছে।

এই আসনে মোট আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও, সরেজমিনে দেখা গেছে, বিএনপি প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু জনসমর্থনে অনেকটাই এগিয়ে আছেন। যদিও জামায়াত তাদের প্রার্থী প্রত্যাহার করে এনপিপি প্রার্থী দিলশানা পারুলকে সমর্থন দিয়েছে, তবুও মাঠ পর্যায়ে তিনি এখনো ভোটারদের কাছে পৌঁছাতে পারেননি।

বিএনপির প্রার্থী দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু বিভিন্ন পথসভায় নির্বাচিত হলে প্রথম ১০০ দিনের মধ্যে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি নির্মূল এবং ফুটপাত দখলমুক্ত করার মতো অগ্রাধিকারমূলক কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। তিনি এসব কাজকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছেন। এছাড়াও, যানজট নিরসনে পুলিশের সহযোগিতায় চেকপোস্ট স্থাপনের প্রস্তাবটি জনগণের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

দেওয়ান সালাউদ্দিন জানান, তিনি বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পঞ্চমবারের মতো এই আসনে নির্বাচন করছেন। তিনি উঠান বৈঠক, পথসভা এবং বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে গণসংযোগ করছেন। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পাশাপাশি নতুন উদ্যোগ নেওয়ার প্রতিশ্রুতিও তিনি দিচ্ছেন।

অন্যদিকে, এনপিপি প্রার্থী দিলশানা পারুল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক একজন ছাত্রনেত্রী। জামায়াত তাদের মনোনীত প্রার্থী প্রত্যাহার করার পর তিনি এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জামায়াতের সাংগঠনিক ও আর্থিক সমর্থন থাকা সত্ত্বেও, দলটি তাদের বড় অংশের সমর্থন আদায় করতে পারেনি। এর কারণ হিসেবে জানা গেছে, জামায়াতের অনেক কর্মী দীর্ঘদিন ধরে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে প্রচার চালালেও, এবার ভিন্ন প্রতীকে ভোট চাইতে গিয়ে তারা দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের ‘সবচেয়ে তীব্র’ হামলা: মার্কিন ও ইসরায়েলি স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু

ঢাকা-১৯ আসনে বিএনপির প্রার্থী শক্ত অবস্থানে, এনসিপির ভরসা জামায়াতের ভোটব্যাংক

আপডেট সময় : ১১:৩৪:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৯ (সাভার-আশুলিয়া) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু পুরোদমে নির্বাচনী প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। ভোটারদের কাছ থেকেও তিনি ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন। অন্যদিকে, জামায়াতসহ ১১ দলীয় জোট মনোনীত ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) প্রার্থী দিলশানা পারুল জামায়াতে ইসলামীর ভোটব্যাংকের ওপর নির্ভর করছেন। তবে, জামায়াতের একটি বড় অংশ এখনো তাঁর পক্ষে মাঠে নামেনি, যা বিএনপির প্রার্থীকে সুবিধাজনক অবস্থানে রেখেছে।

এই আসনে মোট আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও, সরেজমিনে দেখা গেছে, বিএনপি প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু জনসমর্থনে অনেকটাই এগিয়ে আছেন। যদিও জামায়াত তাদের প্রার্থী প্রত্যাহার করে এনপিপি প্রার্থী দিলশানা পারুলকে সমর্থন দিয়েছে, তবুও মাঠ পর্যায়ে তিনি এখনো ভোটারদের কাছে পৌঁছাতে পারেননি।

বিএনপির প্রার্থী দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু বিভিন্ন পথসভায় নির্বাচিত হলে প্রথম ১০০ দিনের মধ্যে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি নির্মূল এবং ফুটপাত দখলমুক্ত করার মতো অগ্রাধিকারমূলক কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। তিনি এসব কাজকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছেন। এছাড়াও, যানজট নিরসনে পুলিশের সহযোগিতায় চেকপোস্ট স্থাপনের প্রস্তাবটি জনগণের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

দেওয়ান সালাউদ্দিন জানান, তিনি বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পঞ্চমবারের মতো এই আসনে নির্বাচন করছেন। তিনি উঠান বৈঠক, পথসভা এবং বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে গণসংযোগ করছেন। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পাশাপাশি নতুন উদ্যোগ নেওয়ার প্রতিশ্রুতিও তিনি দিচ্ছেন।

অন্যদিকে, এনপিপি প্রার্থী দিলশানা পারুল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক একজন ছাত্রনেত্রী। জামায়াত তাদের মনোনীত প্রার্থী প্রত্যাহার করার পর তিনি এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জামায়াতের সাংগঠনিক ও আর্থিক সমর্থন থাকা সত্ত্বেও, দলটি তাদের বড় অংশের সমর্থন আদায় করতে পারেনি। এর কারণ হিসেবে জানা গেছে, জামায়াতের অনেক কর্মী দীর্ঘদিন ধরে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে প্রচার চালালেও, এবার ভিন্ন প্রতীকে ভোট চাইতে গিয়ে তারা দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগছেন।