দেশের আলোচিত টেকনাফ সীমান্তে আরকান আর্মির গুলিতে গুরুতর আহত হয়ে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা শিশু হুজাইফা অবশেষে মৃত্যুর কাছে হার মেনেছে। রাজধানীর একটি বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকালে তার মৃত্যু হয়। হুজাইফার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তার মা।
গত ১১ জানুয়ারি, রবিবার, সকাল ৯টার দিকে বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে ছোড়া গুলিতে মর্মান্তিকভাবে আহত হয় টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের তেচ্ছিব্রিজ সীমান্ত এলাকার বাসিন্দা শিশু হুজাইফা। আরকান আর্মির ছোঁড়া গুলি সরাসরি এসে লাগে তার শরীরে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়লে স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে। প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য তাকে উখিয়া উপজেলার কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে নেওয়া হয়, যেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) পাঠানো হয়।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, হুজাইফার উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন হওয়ায় গত ১৩ জানুয়ারি বিকেলে একটি বিশেষায়িত লাইফ সাপোর্ট অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে ঢাকায় আনা হয়। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় তাকে ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হসপিটালে (নিনস) ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকালে তার মৃত্যু হয়।
শিশু হুজাইফার এই মর্মান্তিক মৃত্যুতে তার নিজ এলাকা জুড়ে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে চলছে শোকের মাতম। এই ঘটনা সীমান্ত হত্যা এবং বেসামরিক নাগরিকদের উপর হামলার বিষয়টি আবারও সামনে এনেছে।
রিপোর্টারের নাম 























