ঢাকা ০১:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

দ্বীনি শিক্ষার প্রসারে বিএনপির অঙ্গীকার: কওমি সনদের পূর্ণ বাস্তবায়ন ও উচ্চশিক্ষার সুযোগ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৪১:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের ধর্মীয় শিক্ষাব্যবস্থার সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। শুক্রবার (তারিখ) রাজধানীর হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দলটি তাদের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করে, যেখানে কওমি মাদরাসার সনদের পূর্ণ বাস্তবায়ন এবং শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা গ্রহণের পথ সুগম করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান কর্তৃক ঘোষিত ইশতেহারে বলা হয়েছে, ধর্মীয় শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়ে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারিভাবে তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষা ও ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ক পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে। পাশাপাশি, দেশের কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোতে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের প্রবেশাধিকার সহজ করতে বিভিন্ন প্রণোদনা ও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করা হবে। মাদরাসার পাঠ্যক্রমে পেশাভিত্তিক ও বৃত্তিমূলক বিভিন্ন বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনাও রয়েছে। এই সংস্কারের মাধ্যমে ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, তথ্যপ্রযুক্তি এবং ইংরেজি ভাষার মতো বিষয়গুলোতেও দক্ষতা অর্জনের ব্যবস্থা থাকবে, যা মাদরাসা শিক্ষার্থীদের দেশে ও বিদেশে কর্মসংস্থান, বিভিন্ন পেশা এবং উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে এগিয়ে যেতে সহায়ক হবে। উল্লেখ্য, বিএনপি সরকার পূর্বে কওমি মাদরাসার ‘দাওরায়ে হাদিস’ সনদকে মাস্টার্স ডিগ্রীর সমমান ঘোষণা করেছিল।

ইশতেহারে কওমি সনদধারীদের বিদেশে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণ এবং তাদের রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা প্রদানের অঙ্গীকার করা হয়েছে। এছাড়া, যোগ্যতা অনুযায়ী সরকারি চাকরিতে, বিশেষত সরকারি মসজিদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনীতে ধর্মীয় শিক্ষক ও ইমাম এবং প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ধর্ম শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের ক্ষেত্রে কওমি সনদধারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কোরআন তেলাওয়াত ও আলেম হিসেবে যারা কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখবেন, তাদের রাষ্ট্রীয় সম্মান ও স্বীকৃতির জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলেও ইশতেহারে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি, নতুন প্রজন্মের মধ্যে কোরআন তেলাওয়াত চর্চা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘নতুন কুঁড়ি কোরআন তেলাওয়াত’ নামক একটি উদ্যোগ প্রবর্তনের কথাও জানানো হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সংস্কারের ধীরগতিতে আইএমএফের কিস্তি স্থগিত, বাংলাদেশের ঋণের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত

দ্বীনি শিক্ষার প্রসারে বিএনপির অঙ্গীকার: কওমি সনদের পূর্ণ বাস্তবায়ন ও উচ্চশিক্ষার সুযোগ

আপডেট সময় : ০৭:৪১:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের ধর্মীয় শিক্ষাব্যবস্থার সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। শুক্রবার (তারিখ) রাজধানীর হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দলটি তাদের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করে, যেখানে কওমি মাদরাসার সনদের পূর্ণ বাস্তবায়ন এবং শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা গ্রহণের পথ সুগম করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান কর্তৃক ঘোষিত ইশতেহারে বলা হয়েছে, ধর্মীয় শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়ে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারিভাবে তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষা ও ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ক পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে। পাশাপাশি, দেশের কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোতে মাদরাসা শিক্ষার্থীদের প্রবেশাধিকার সহজ করতে বিভিন্ন প্রণোদনা ও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করা হবে। মাদরাসার পাঠ্যক্রমে পেশাভিত্তিক ও বৃত্তিমূলক বিভিন্ন বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনাও রয়েছে। এই সংস্কারের মাধ্যমে ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, তথ্যপ্রযুক্তি এবং ইংরেজি ভাষার মতো বিষয়গুলোতেও দক্ষতা অর্জনের ব্যবস্থা থাকবে, যা মাদরাসা শিক্ষার্থীদের দেশে ও বিদেশে কর্মসংস্থান, বিভিন্ন পেশা এবং উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে এগিয়ে যেতে সহায়ক হবে। উল্লেখ্য, বিএনপি সরকার পূর্বে কওমি মাদরাসার ‘দাওরায়ে হাদিস’ সনদকে মাস্টার্স ডিগ্রীর সমমান ঘোষণা করেছিল।

ইশতেহারে কওমি সনদধারীদের বিদেশে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণ এবং তাদের রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা প্রদানের অঙ্গীকার করা হয়েছে। এছাড়া, যোগ্যতা অনুযায়ী সরকারি চাকরিতে, বিশেষত সরকারি মসজিদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনীতে ধর্মীয় শিক্ষক ও ইমাম এবং প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ধর্ম শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের ক্ষেত্রে কওমি সনদধারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কোরআন তেলাওয়াত ও আলেম হিসেবে যারা কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখবেন, তাদের রাষ্ট্রীয় সম্মান ও স্বীকৃতির জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলেও ইশতেহারে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি, নতুন প্রজন্মের মধ্যে কোরআন তেলাওয়াত চর্চা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘নতুন কুঁড়ি কোরআন তেলাওয়াত’ নামক একটি উদ্যোগ প্রবর্তনের কথাও জানানো হয়েছে।