বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেলে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ও সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নিয়মিত জনগণের মুখোমুখি হতে হবে বলে জানিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, একটি দায়বদ্ধ সরকার গঠনের মাধ্যমে শাসনব্যবস্থায় পূর্ণ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাই হবে তাদের মূল লক্ষ্য।
বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান দেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সংস্কৃতিতে আমূল পরিবর্তনের এই অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তিনি উল্লেখ করেন, দীর্ঘ সময় ধরে দেশে জবাবদিহিতাহীন শাসনব্যবস্থা প্রচলিত ছিল, যেখানে গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তগুলো পর্দার আড়াল থেকে নেওয়া হতো এবং দুর্নীতির তথ্য গোপন রাখা হতো। জামায়াত ক্ষমতায় এলে এই গোপনীয়তার সংস্কৃতির অবসান ঘটিয়ে একটি জনবান্ধব প্রশাসন গড়ে তোলা হবে।
জামায়াত আমিরের ভাষ্য অনুযায়ী, তাদের সরকারের মন্ত্রী, সংসদ সদস্য এবং প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সম্পদের হিসাব জনসম্মুখে প্রকাশ করা বাধ্যতামূলক করা হবে। প্রতিটি প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের জন্য তাদের নিয়মিত জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে হবে। এর মাধ্যমে প্রশাসনে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনা এবং ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
শাসনব্যবস্থায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে তিনি আরও জানান, সরকারি কার্যক্রম, রাষ্ট্রীয় ব্যয় এবং নাগরিক সেবা প্রদানের প্রতিটি ধাপ ডিজিটাল রেকর্ড ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে। এর ফলে সাধারণ নাগরিকরা রিয়েল-টাইম বা তাৎক্ষণিকভাবে সরকারের উন্নয়নমূলক কাজ ও ব্যয় পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন। জনগণের কাছে তথ্য গোপন করার চিরাচরিত প্রথার বিলোপ ঘটিয়ে একটি আধুনিক ও স্বচ্ছ রাষ্ট্র বিনির্মাণই তাদের রাজনৈতিক লক্ষ্য।
রিপোর্টারের নাম 
























