ফেনী-২ আসনের জনতার অধিকার পার্টির চেয়ারম্যান ও গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়া প্রশাসনের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ এবং পক্ষপাতমূলক আচরণের প্রতিবাদে অনশনে বসেছেন। এক বৃহস্পতিবার সকালে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের মূল ফটকে তিনি এই কর্মসূচি শুরু করেন। অভিযুক্ত এক কর্মকর্তাকে প্রত্যাহারের দাবি জানানোর পাশাপাশি তিনি নির্বাচনী পরিবেশের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।
সকাল সাড়ে ৮টা থেকে তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়া চার-পাঁচজন কর্মী নিয়ে প্ল্যাকার্ড হাতে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের মূল ফটকে অবস্থান নেন। এর ফলে কার্যালয়ের মূল ফটক দিয়ে গাড়ি প্রবেশে বিঘ্ন ঘটে এবং দপ্তরের কর্মকর্তাদের পায়ে হেঁটে ভেতরে যেতে হয়।
পরে বেলা সোয়া ১১টার দিকে ফেনীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রোমেন শর্মা ঘটনাস্থলে আসেন এবং প্রার্থীর দাবিগুলো বিবেচনার আশ্বাস দেন। তার আশ্বাসের পর তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়া মূল ফটক থেকে সরে একপাশে অবস্থান নেন।
অনশন চলাকালে তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়া অভিযোগ করেন, ফেনী-২ আসনে নির্বাচনী আচরণবিধি চরমভাবে লঙ্ঘিত হচ্ছে এবং প্রশাসন সরাসরি পক্ষপাতমূলক আচরণ করছে। তিনি সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে তাকে হুমকি ও ধমক দেওয়ার অভিযোগ আনেন। তার দাবি, রিটার্নিং কর্মকর্তা এসব বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছেন না। নির্দিষ্ট প্রার্থীর পক্ষে বিলবোর্ড ও রঙিন প্রচারণায় একতরফা সুযোগ দেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। এই প্রার্থী হুঁশিয়ারি দেন যে, আট ঘণ্টার মধ্যে সদরের এসিল্যান্ডকে প্রত্যাহার করা না হলে তিনি আরও কঠোর কর্মসূচিতে যাবেন।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি মর্ম সিংহ ত্রিপুরা জানান, তারা সকাল থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং দাপ্তরিক কার্যক্রম যেন ব্যাহত না হয়, সে বিষয়ে প্রার্থীকে বোঝানোর চেষ্টা করছেন।
তবে, ফেনীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রোমেন শর্মা এই অভিযোগের বিষয়ে বলেন, নির্বাচনী মাঠে এ পর্যন্ত যতগুলো অভিযোগ এসেছে, সবই আমলে নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়া তার অভিযোগগুলো কখনোই লিখিতভাবে জানাননি, যে কারণে প্রশাসন তার বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা নিতে পারেনি।
রিপোর্টারের নাম 






















