জাতীয় দলের ফুটবলারদের স্থানীয় পর্যায়ে ‘খ্যাপ’ খেলায় অংশগ্রহণ করা বাংলাদেশের ফুটবলে একটি পরিচিত চিত্র। আর্থিক লাভের জন্য বা এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বিশেষ অনুরোধে খেলোয়াড়দের অনেকেই নিজের এলাকায় বা অন্য জায়গায় এই ধরনের ম্যাচ খেলেন। তবে, এই ‘খ্যাপ’ ম্যাচগুলো সাধারণত অনুপযুক্ত মাঠে অনুষ্ঠিত হওয়ায় খেলোয়াড়দের গুরুতর চোটের ঝুঁকি থেকে যায়। জাতীয় দলের অনুশীলন চলাকালীন এই বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন দলের অন্যতম সিনিয়র ডিফেন্ডার রহমত মিয়া।
ব্রাদার্স ইউনিয়নের এই ডিফেন্ডার আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া ফুটবলের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ের খেলা প্রসঙ্গে বলেছেন, “আসলে যখন আমরা এলাকায় থাকি, তখন এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা চান যে, ন্যাশনাল টিমের প্লেয়াররা বাড়িতে এসেছেন, তাঁরা যেন আমাদের মাঠে খেলেন। সামাজিক এবং রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনা করেই প্লেয়ারদের অনেক সময় বাধ্য হতে হয় নিজের মাঠে খেলতে।” তিনি স্থানীয় টুর্নামেন্ট খেলার কারণে ইনজুরির বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত না জানলেও ফেডারেশনের বিবৃতি এবং সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের গুরুত্বের কথা উল্লেখ করেন।
রহমত মিয়া এরপরই দলের আগামী ম্যাচ নিয়ে কথা বলেন। বর্তমানে ১৮ নভেম্বর ভারত ম্যাচের জন্য ঢাকায় জাতীয় স্টেডিয়ামে প্রস্তুতি চলছে। শিলং ম্যাচে ড্র করার পর এবার ঢাকায় জয় পেতে চান শেখ মোরসালিনের মতো খেলোয়াড়রা। এই প্রসঙ্গে রহমত বলেন, “বাস্তবতা হলো, যখন ভারতের বিপক্ষে আমরা ম্যাচটা ড্র করলাম, আমাদের মন অনেক খারাপ ছিল। যদিও বাকি ম্যাচগুলো হেরেছি বা রেজাল্ট খারাপ হয়েছে। মন খারাপ ছিল তবে ভারতের বিপক্ষে… আসলে আমরা এখন আমাদের যে কন্ডিশন দলে, আমরা আসলে এটা (জয়) ডিজার্ভ করি। আমি মনে করি, আমাদের পরের ম্যাচটা আমরা জিতবো। যেহেতু আসলে এখন আমরা পিছিয়ে গেছি। অন্তত একটা ড্র, একটা জয় আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আমরা ওভাবেই জিতবো।”
রিপোর্টারের নাম 

























